মুখের মধ্যে ফোটানো অসংখ্য সূচ। কিন্তু তাও যন্ত্রণার লেশ মাত্র নেই। এক এক করে সূচগুলি তুলে ফেলার পরেই বদলে গেল মুখ। এমন অভিজ্ঞতা হল শাহিদ কপূরের স্ত্রী মীরা কপূরের। কী হল তাঁর?
শনিবার নিজের একটি ছবি সমাজমাধ্যমে তুলে ধরেছিলেন মীরা। সেখানেই দেখা গিয়েছিল, শুয়ে আছেন শাহিদ-ঘরনি। আর তার মুখের উপর ফুটে আছে অনেকগুলি সূচ। এই ছবি দেখে অনুরাগীরা নানা প্রশ্ন ছুড়ে দেন তাঁর দিকে। একটি ভিডিয়োর মাধ্যমে উত্তর দিয়েছেন মীরা। তবে এই সূচে যে যন্ত্রণা হয় না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। মীরা জানিয়েছেন, এই পদ্ধতিকে বলা হয় ‘কসমেটিক আকুপাংচার’।
মীরার কথায়, “সূচগুলি হতে পারে খুবই ছোট ও সূক্ষ্ম। কিন্তু এই পদ্ধতির ফলাফল বিরাট।” এই পদ্ধতি মীরার ত্বক পরিচর্যার অঙ্গ। এতে ঠিক কী লাভ হয়? শাহিদ ঘরনি বলেন, “ত্বককে টানটান করতে সাহায্য করে এই পদ্ধতি। ত্বকে কোলাজেন যোগ করে এবং বলিরেখা দূর করে।” বর্তমানে ত্বক পরিচর্যার জন্য নানা রকমের ফিলার্স ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই পদ্ধতিতে ফিলার্স বা বাইরে থেকে ইনজেকশনের কোনও প্রয়োজন পড়ে না।
আরও পড়ুন:
এই পদ্ধতি কতটা যন্ত্রণাদায়ক, সেই প্রশ্নও আসে মীরার কাছে। তাঁর কথায়, “আমার মুখটা দেখুন। চিকিৎসক সূচগুলি বার করছেন, আমার মুখে যন্ত্রণার কোনও ছাপই নেই। আমার মুখে প্রসাধনী ছিল কারণ আমি এক জায়গায় থেকে চিকিৎসকের কাছে এসেছিলাম। তবে এতে কোনও অসুবিধা হয়নি।”
এই পদ্ধতিতে মুখের অতিরিক্ত ফোলা ভাব কমে যায়। মীরা জানান, একসময় তিনি কাঁধে চোট পেয়েছিলেন। তার পরে তার মুখের দুই দিকে অসামঞ্জস্য ধরা পড়ে। মীরার বলেন, “এই পদ্ধতির সাহায্যে আমার মুখের দুটো দিকও সমান করার চেষ্টা করা হয়েছে। অতীতে ঘাড়়ে চোট পাওয়ায় আমার মুখের দুটো দিক দু’রকম দেখতে লাগত।”
মীরার এই ভিডিয়ো মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে সমাজমাধ্যমে। অনুরাগীরা কৌতূহল প্রকাশ করেছেন এই ভিডিয়োয়।