পাশ্চাত্যে বডি শেমিং একটি সামাজিক ব্যাধি। ফ্যাশন,  প্রসাধন ও বিনোদনের জগতে স্লিম-ট্রিম ব্যক্তিদেরই ‘আকর্ষণীয়’ বলে তুলে ধরা হয়। ফলে স্থূলত্ব মানেই— খাপছাড়া, বিসদৃশ। মোটা হওয়া যেন অন্যায়। গায়ের রং, মুখের আকৃতি দিয়ে মানুষের বিচার যদি বর্জনীয় হয়, তাহলে দেহের ওজন নয় কেন?

সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে প্রিয় সেলিব্রিটিরা এখন কার্যত হাতের মুঠোয়। তাই প্রশংসা ও নিন্দা— দুই’ই প্রত্যক্ষ ভাবে করা হয়। সম্প্রতি এমনই ট্রোলিংয়ের শিকার হয়েছেন বহু তারকা। এর আগে দীপাবলির সময় বাজি পোড়ানো নিয়ে মন্তব্য করে ট্রোলড হয়েছিলেন শ্রদ্ধা কপূর। ফের তিনিই নেটিজেনদের রোষের মুখে। এবার একটি ছবি পোস্ট করে।

না, নিজের কোনও ছবি নয়। শ্রদ্ধা শনিবার নিজের টুইটার পেজে শেয়ার করেছেন মেরিলিন মনরোর একটি ছবি। সেখানে ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘ইনি মেরিলিন মনরো। বিশ্বের সেরা সেক্স আইকন। তাঁর পেট মোটেই টোনড নয়। থাই, হাত কোনওটাই রোগা নয়। তাঁর শরীরে স্ট্রেচ মার্কস রয়েছে।... তিনি সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা বলেই পরিচিত।’

এই ছবি পোস্ট করতেই নেটিজেনরা তাঁকে ‘হিপোক্রিট’ বলে আক্রমণ করতে শুরু করেছেন। কেউ লিখেছেন, ‘তাহলে আপনি টাকার জন্য গ্রিন টি আর এক্সারসাইজ করার প্রচার করেন কেন? হিপোক্রিট’। কারও বক্তব্য, ‘তাহলে গ্রিন টি-এর বিজ্ঞাপন করেন কেন?’।

আরও পড়ুন, শরীরের বিশেষ অংশের ইনসিওরেন্স করালেন ইনি!

আরও পড়ুন, ছবির ভাষায় ‘সরব’ হতে দিন গুনছে নীরব উৎসব

বলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী বহুদিন ধরেই একটি গ্রিন টি কোম্পানির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর। বিজ্ঞাপনে শ্রদ্ধা পেটের চর্বি লুকিয়ে না রেখে তা কমিয়ে ফেলার পরামর্শও দেন। সেই বিজ্ঞাপনের কথা মনে করিয়েই শ্রদ্ধাকে ট্রোল করতে শুরু করেছেন নেটিজেনরা।

যদিও এই সমালোচনা নিয়ে কোনও পাল্টা মন্তব্য করেননি ‘সাহো’র নায়িকা।