মঞ্চের সামনে হাজার হাজার দর্শক। অধীর আগ্রহে দেখছে তাঁরা মঞ্চের ঈশ্বরকে।

হ্যাঁ, ঈশ্বরই বটে। কারণ মঞ্চে তাঁরা দেখছেন ‘কিশোর কুমার জুনিয়র’কে। কিশোর কুমারকে দেখার সুযোগ তাঁদের হয়নি। তাই তাঁদের কাছে সেই মুহূর্তে ‘কিশোর কুমার জুনিয়র’ই ঈশ্বর। তিনি গাইছেন, ‘এক দিন পাখি উড়ে যাবে যে আকাশে…’।

মঙ্গলবার মুক্তি পেল কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের আসন্ন ছবি ‘কিশোর কুমার জুনিয়র’-এর এই গান। কুমার শানুর গাওয়া গান এবং মঞ্চে কিশোর কুমার জুনিয়রের চরিত্রে প্রসেনজিত্ চট্টোপাধ্যায়ের এই কেমিস্ট্রি এই মুহূর্তে সোশ্যাল অডিয়েন্সের পছন্দের তালিকার শীর্ষে।

এই ছবি আসলে সেই মানুষদের যাঁরা আসলের মতো হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন সত্যি হয় না। ‘কণ্ঠী’ হয়েই কেটে যায় তাঁদের রোজনামচা। মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন প্রসেনজিত্। যিনি ছবিতে কিশোর কুমারের ভক্ত। তাঁরই গান করেন বিভিন্ন শো-এ। সেটাই তাঁর রোজগারের একমাত্র পথ।

আরও পড়ুন, ‘কিশোর কুমার জুনিয়র’-এ আমার একটা ভেতরের লড়াই আছে: প্রসেনজিৎ

প্রসেনজিতের কথায়, ‘‘গল্পটা আদতে এক মধ্যবিত্ত মানুষের। এই মানুষদের দেখেছি কাছ থেকে। তাঁদের রেসপেক্টও করি। যে সব মানুষ কিশোর, রফি, উত্তম হতে চান, তাঁদের ট্যালেন্ট নেই তা কিন্তু নয়। যাঁরা কিশোরকণ্ঠী, তাঁরাও ট্যালেন্টেড। তাঁরা হয়তো কিশোর হননি। কিন্তু আমাদের ছবিতে সেই রেসপেক্টটা আছে। এমন নয় যে আরে ভাই তুমি কিছু নও, কপি। আমাদের চলতি ধারণা, ও তো ওমুকের কপি। কিন্তু ট্যালেন্ট না থাকলে এটা হয় না।’’

কিশোরকণ্ঠী বাবার মাচার অনুষ্ঠান, মেনে নিতে পারে না ছেলে। এই ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ঋতব্রত মুখোপাধ্যায়। আর এই মানুষটাকে যিনি আগলে রাখেন, অর্থাত্ এই কিশোরকণ্ঠীর স্ত্রীয়ের ভূমিকায় র অভিনয় সমৃদ্ধ করেছে এই ছবিকে। 

(মুভি ট্রেলার থেকে টাটকা মুভি রিভিউ - রুপোলি পর্দার সব খবর জানতে পড়ুন আমাদের বিনোদন বিভাগ।)