• নবনীতা চট্টোপাধ্যায়
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

কেপটাউনেও বাজল আলোর বেনু

Durga Puja
বাংলার সংস্কৃতিকে এই সুদূর প্রবাসে ধরে রাখার প্রচেষ্টা।

“বাজল তোমার আলোর বেনু মাতল যে ভুবন’’।

সত্যি গোটা ভুবন মেতে উঠেছে আগমনীর আগমন বার্তায়। দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনও বাদ যায়নি সেই তালিকা থেকে। বাংলার সংস্কৃতিকে এই সুদূর প্রবাসে ধরে রাখার প্রচেষ্টায় গত তিন বছর ধরে ‘বেঙ্গলি হিন্দু কমিউনিটি কেপটাউন’ মহা সমারোহে আয়োজন করে যাচ্ছে পশ্চিম কেপ প্রদেশের এই একমাত্র দুর্গাপুজো। অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে অনেক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও মাত্র বারোজন মুখ্য প্রতিনিধির চেষ্টায় ২০১৪ সালে কেপটাউনের রাইল্যান্ডস এলাকায় শুরু হয় পুজো। রাইল্যান্ডসের রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের হলঘরে থেকেই শুরু হয়েছিল এই পুজোর যাত্রা। এখন ১৬ জন মুখ্য সদস্য সহ ভারত ও বাংলাদেশের শতাধিক মানুষ এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন। এ বার অর্থাৎ চতুর্থবারের পুজোর দুর্গাপ্রতিমা এসেছে কলকাতার কুমারটুলি থেকে। লখনউ কালীবাড়ির মধ্যস্থতায় পুরোহিত আসছেন মেদিনীপুর থেকে।

আরও পড়ুন: জমে উঠেছে নিউ জার্সির পুজো প্রস্তুতি

অধিকাংশ প্রবাসী পুজোর মত সপ্তাহান্তের পুজো নয়, সময়সূচি মেনে একদম পাঁচদিনের পুজো কেপটাউনের দুর্গাপুজোর সব থেকে বড় বৈশিষ্ট্য। অন্যান্য বছরের মত এ বারেও পাঁচদিনের উৎসবে নিত্যপুজো, সন্ধ্যারতি, প্রসাদ বিতরণ সবই থাকছে। আগামী ২৫শে সেপ্টেম্বর এই দুর্গাপুজোর সূচনা হবে মহাষষ্ঠীতে দেবীর বোধন দিয়ে। পুজো কমিটির সদস্য এবং তাঁদের পরিবারেপ সদস্যরা কিছু ঘরোয়া অনুষ্ঠান পরিবেশন করবেন মহাষষ্ঠীর এই সন্ধ্যায়। মহাসপ্তমী থেকে সমস্ত রীতি মেনে শুরু হবে পুজো। মহাষ্টমীর দিন দুপুরে পুজো প্রাঙ্গণে বসিয়ে সমাদরে যত্ন করে ভোগ খাওয়ানো হবে অতিথিদের। পাত পেড়ে ভোগ খাবেন কেপটাউনের গুরুদ্বার ও গুজরাতি রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের সদস্যসহ আরও অনেক স্থানীয় বাসিন্দা। মহানবমীর পরম্পরা মেনে হবে হোম-যজ্ঞ ও আরতি। সব শেষে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষজন একসঙ্গে দশমীর সিঁদুরখেলার মাধ্যমে এবারের মত মা কে বিদায় জানাবেন। অপেক্ষা পরের বছরের। 

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন