সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

শ্যামাবন্দনায় তৈরি হচ্ছে শহর

kalipuja
অগ্নিদৃষ্টি: আগুনের তাপে প্রতিমা শুকোনোর কাজ চলছে। শ্যামনগরে। ছবি: সজল চট্টোপাধ্যায়।

কলকাতা

এন্টালি ভারতী সমিতি: এ বছর পুজোর ৮৮ তম বর্ষ। বীরভুমের নলহাটেশ্বরী মন্দিরের আদলে মণ্ডপ। কুড়িটি ধাপ পেরিয়ে ঢুকতে হবে মন্দিরে। পিছনে রয়েছে গাছপালা। প্রতিমা শ্যামাকালী। থাকবে শিবলিঙ্গ, বলি-কাঠ। প্রতিমায় পরানো হবে সোনার গয়না।

বেনিয়াপুকুর যুবক সমিতি:  ৭৫তম বছরে হীরক রাজার দরবারে। গোটা মণ্ডপটা ছক কাটা হীরক রাজার দরবার, যেখানে থাকবে যন্তর-মন্তর, পাঠশালা, খনি, রাজার মুখোশ। প্রতিমা সাবেক শ্যামাকালী। থিমের সঙ্গে মানানসই আলো থাকবে।

নয়াপট্টি আদিত্য স্মৃতি সঙ্ঘ: সবুজের রক্ষায় রজত জয়ন্তী বর্ষের থিম সবুজায়ন। মণ্ডপ তৈরি হচ্ছে রোদে পোড়ানো কয়েক হাজার মাটির ভাড় দিয়ে। মণ্ডপসজ্জায় ব্যবহার হচ্ছে চট-বাঁশ ও কঞ্চি। নারকেল ছোবড়া দিয়ে তৈরি হচ্ছে সবুজ ঘাসের গালিচা। গাছের কোটরে প্রতিমা।

চেতলা ডাকাত কালী: এ বার ২৬ তম বর্ষ। এখানে প্রতিমার রং কালো। বিভিন্ন নরমুণ্ডের মালা পরে থাকেন প্রতিমার গলায়।

চেতলা মিলন সঙ্ঘ: এ বছর পুজোর ৩৭তম বর্ষ। চণ্ডীতে বর্ণিত কালীর রূপে পূজিত কালী। কালীর গায়ের রং এখানে লাল। তাই কালী এখানে রক্ত-চামুণ্ডা নামে পরিচিত। তান্ত্রিক মতে পুজো হয়।

আরও পড়ুন: সুখদা বরদা লক্ষ্মীদেবী, লিখছেন সুনন্দা সিকদার

চেতলা প্রদীপ সঙ্ঘ: ৩৩ তম বছরের পুজো। পুজোর আগের দিন তান্ত্রিক ও ব্রাক্ষ্মণ দিয়ে মণ্ডপ শুদ্ধ করা হয়। পূজিত হন শ্যামা, রক্ষা, বগলা, চামুণ্ডা এবং ধূমাবতী কিংবা শ্বেতকালী। পুজোর আগের দিন থেকে মণ্ডপে মহিলাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। পুজোর সব কাজই করেন পুরুষেরা।

খিদিরপুর সান্ধ্যনীড়: ৬৯তম বর্ষের এই পুজো স্তানীয়দের কাছে কাছে ‘বড় কালী’ নামে পরিচিত। প্রতিমার উচ্চতা ২৭ ফুট। সোনা ও রুপোর গয়নায় সাজানো হয় প্রতিমাকে। ঐতিহ্য মেনে পুজোর পরের দিন দশ হাজার মানুষকে ভোগ খাওয়ানো হয়।

টালিগঞ্জ বয়েজ স্পোর্টিং ক্লাব: এ বছর পুজোর ৪৭ বছর। বাংলার দু’টি লোকশিল্পের ছোঁয়া থাকবে মণ্ডপে। রামায়ণের কয়েকটি দৃশ্য আঁকবেন মেদিনীপুরের পিংলার পটচিত্র শিল্পীরা। হিন্দু ধর্মের প্রাচীন মঙ্গলচিহ্নগুলি আঁকবেন বর্ধমানের দারুশিল্পীরা।

লেক গার্ডেন্স কালচারাল ফ্যান্স শ্যামাপুজো: মণ্ডপের আকৃতি ত্রিনয়নের। ফাইবার, বিশেষ স্প্রে পেন্টিং, প্লাস্টিকের কাপ ব্যবহার করা হচ্ছে মণ্ডপে। এগারো ফুটের শ্যামাকালী প্রতিমা।

আরও পড়ুন: পুজোর হিট গান শুনতে মাইকগুলোও যেন সারা বছর অপেক্ষায় থাকত

বাঁশদ্রোণী মিতালি: ৫৪তম বছরের এই পুজোর থিম রোজকার বন্ধন থেকে মুক্তি। মণ্ডপ তৈরিতে থার্মোকল, তুলো ব্যবহার করা হবে। মণ্ডপে তুলে ধরা হবে জাদু বাস্তবতার ছোঁয়া। মণ্ডপ দেখে মনে হবে আলো-আঁধারিতে মেশানো স্বপ্নের জগৎ। থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কালী হাল্কা গোলাপি রঙের।

সাহাপুর মুক্তি সঙ্ঘ (নিউ আলিপুর): ২৭ তম বর্ষে মন্দিরের আদলে মণ্ডপ। পনেরো ফুটের প্রতিমা। উদ্বোধনে থাকবেন বৃদ্ধাবাসের আবাসিকেরা। দুঃস্থ শিশুদেরও পুজোয় অংশগ্রহণ করানো হবে।

বেহালা অভ্যুদয়: এ বছর পুজোর ২৬তম বর্ষ। মণ্ডপে তুলে আনা হচ্ছে এক টুকরো ওড়িশা। হীরাপুরের ৬৪ যোগিনীর প্রতিমা। মণ্ডপসজ্জায় ব্যবহার করা হচ্ছে পিপলির অ্যাপলিকের কাজ এবং আদর্শ গ্রাম রঘুরাজপুরের পটচিত্র।

বড়িশা শান্তি সঙ্ঘ (শীল পাড়া): পুজোর এ বার ৬৮ বছর। নারী প্রগতির চিহ্ন হিসেবে একাধিক নারীর মডেল থাকবে। নটরাজের ভঙ্গিতে বার ফুটের কালী প্রতিমা। পরনে বাঘ ছাল। ডান পা শিবের বুকে।

হাওড়া

কদমতলা বিজলী বালক সঙ্ঘ:  পুজোর ৫৮তম বর্ষে প্রতি বারের মতো এ বারও এলাকা সাজানো হচ্ছে চন্দননগরের আলোয়। পুজোয় থাকছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শোভাযাত্রা-সহ হবে বিসর্জন। এখানে প্রতিমা শ্যামাকালী।

কদমতলা সিটিবিএস: দিনু লেনের এই পুজোর থিম —লাল কমল, নীল কমল। দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের কাহিনী অবলম্বনে সাজানো মণ্ডপে জীবন্ত মডেলের মাধ্যমেই ফুটে উঠবে লাল কমল, নীল কমলের গল্প।

বালি ফাইভ স্টার: গোস্বামী পাড়ার ২৮তম বর্ষের পুজোর ভাবনায় বাংলার পটচিত্র। মাদুরে আঁকা পটচিত্রে সাজছে মণ্ডপ। গ্রামের পরিবেশ উঠে আসবে। জলাশয়ে ভাসবে ডিঙি নৌকা। আলোকসজ্জা থাকবে ‘সেফ ড্রাইভ-সেভ লাইফ’। উদ্বোধনেও থাকছে সম্প্রীতির ছোঁয়া। শোভাযাত্রা-সহ বিসর্জন হবে।

রাজচন্দ্রপুর তরুণ দল: ২৩তম বছরে পুজোর থিম সার্জিক্যাল স্ট্রাইক। ৫০ ফুট উঁচু পাহাড়ের এক দিকে পাকিস্তানের বাঙ্কার, অন্য দিকে ভারতের। ভারতের হেলিকপ্টার বোমা ফেলে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে পাকিস্তানের সেনা ঘাঁটি। আলো-শব্দ-যান্ত্রিক কারুকার্যে পাঁচ মিনিট ধরে দেখা যাবে ভারত-পাকিস্তানের এই লড়াই। প্রতিমা শ্যামাকালী।

দেবীর পাড়া নতুন দল: জগদীশপুরের এই পুজোর থিম সমুদ্রের নীচের জগৎ। বড় মাছের মুখের ভিতর দিয়ে দর্শনার্থীরা পৌঁছে যাবেন সমুদ্রের নীচে। সেখানে দেখা মিলবে লুপ্তপ্রায় মাছ, তিমি, ডলফিন, প্রবাল-সহ আরও অনেক কিছু। প্রতিমা মৎস্যকন্যারূপী। থাকছে চন্দননগরের আলোকসজ্জা।

বালি বালকবৃন্দ: গোস্বামী পাড়ার এই পুজোর ৫৯তম বর্ষের মণ্ডপ হচ্ছে জলাশয়ের উপরে। জমিদার বাড়ির কারুকার্য খচিত নাটমন্দির। পুজো হবে শ্যামাকালীর।

বালি কল্যাণেশ্বর সম্মিলনী: থিম মেঘ ও পরীর দেশ। পক্ষ্মীরাজ ঘোড়া, পেঁচা দেখে দর্শনার্থীরা পৌঁছবেন থার্মোকল-তুলো দিয়ে তৈরি পরীর দেশে। বরফের মা‌ঝে থাকবে শ্যামাকালী। পুজোর পরের দিন অন্নকূট উৎসবে অংশ নেন কয়েক হাজার মানুষ।

ঠাকুরাণীচক মাঝের পাড়া বালক সঙ্ঘ: এ বারের পুজোর ভাবনা— নদী পাড় ও বাঁধের ভাঙন মেরামতি এবং বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনের কাজে সেচমন্ত্রীর হাত লাগানোর ঘটনাও তুলে ধরা হবে বিভিন্ন মডেলের মাধ্যমে। দেখানো হবে রাজ্যে বন্যার কারণ। লাল পেড়ে-সাদা শাড়ি পরা গ্রাম্য মেয়ে রূপী প্রতিমা।

কল্যাণেশ্বর বালক সঙ্ঘ: ৫৮তম বর্ষে মণ্ডপ হচ্ছে শিশুদের বি‌ভিন্ন রঙের ছাতা দিয়ে। গম্বুজ আকৃতির মণ্ডপের ভিতরে আলো ও শব্দে দেখানো হবে ‘কপালকুণ্ডলা’ প্রদর্শনী। এখানে পদ্মে আসীন কালী।

শিবপুর বিজয়ী সঙ্ঘ: সঙ্ঘের নিজস্ব মন্দিরের উপরে হচ্ছে কাল্পনিক মণ্ডপ। তা সাজানো হচ্ছে মাদুরের কারুকাজে। দশমহাবিদ্যার প্রতিমা এখানে প্রতিষ্ঠিত। অন্নকূট উৎসব হয়।

বালি বালক সঙ্ঘ: ৫৬তম বর্ষে থিম শিবালয়। তুলো দিয়ে তৈরি বরফের পাহাড় চূড়োয় থাকবে শিবলিঙ্গ। পিছন থেকে উঠবে সূর্য। গুহায় পুজো হবে সোনার গয়নায় সাজানো দক্ষিণাকালীর।

কালীতলা বালক সমিতি: ঠাকুরাণীচকের এই পুজোর এ বার ৭৬ বছর। কাল্পনিক মন্দিরেই পুজো হবে শ্যামাকালীর। পুজো ঘিরে থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সুহৃদ সঙ্ঘ: সমবায় পল্লির পুজোর থিম সম্প্রীতি। মসজিদ-মন্দির-গির্জার আদলে মণ্ডপ। পুজোয় চার দিন ধরে চলবে স্বাস্থ্য শিবির।

নেতাজি সুভাষ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি: বালি ঘাটের এই পুজোর দ্বিতীয় বছর। দক্ষিণ ভারতের একটি মন্দিরের আদলে মণ্ডপ। বারো হাতের কালী প্রতিমা। মণ্ডপের চারদিক সাজানো হবে সুভাষচন্দ্র বসুর জীবনের বিভিন্ন ঘটনার ছবিতে। বসবে মেলা।

স্পুটনিক-৭০: জেটিয়া ঘাটের এই পুজোর ৪৮ বছর। কাল্পনিক মন্দিরের আদলে মণ্ডপ। প্রতিমা শ্যামাকালী। উদ্বোধন করবে ১০০ জন দুঃস্থ শিশু। প্রতি বারের মতো এ বারেও পুজোর সন্ধ্যায় থাকছে আতসবাজির প্রদর্শনী।

উত্তর শহরতলি

বনহুগলি যুবক সঙ্ঘ: এ বার পুজোর ৩১ বছর। কাল্পনিক মণ্ডপে থাকবে ১৭ ফুটের প্রতিমা। এলাকা সাজবে চন্দননগরের আলোয়। সাবেক পুজোয় থাকছে অন্নকূট। দুঃস্থদের মধ্যে কম্বল ও বস্ত্র বিতরণ করা হবে।

বেলঘরিয়া আবাহনী: ৩৩তম বছরের থিম ‘ইচ্ছাময়ী তারা তুমি’। ইচ্ছাপূরণের জন্য বাঁধা ঢিল ও ত্রিশূল দিয়ে সাজছে মণ্ডপ। প্রতিমা ১৫ ফুটের। চন্দননগরের আলোকজ্জা।

প্রোগ্রেসিভ ইয়ুথ ক্লাব: সিঁথির কাছে ৪৫তম বছরের এই পুজোয় শ্রদ্ধা জানানো হবে যামিনী রায়কে। নিরঞ্জনের জন্য একই ধরনের পোশাক পরে মশাল জ্বালিয়ে কাঁধে করে প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়।

জাগরণী কিশোর বৃন্দ: আগরপাড়ার এই পুজো এ বার ৫৮ বছরে। থিম ‘পূবের কলরব ওঠে পশ্চিমের অন্দরে’। নববর্ষে

ওপার বাংলার সাজ-সংস্কৃতি ফুটিয়ে তোলা হবে। মুখোশ, বাউল, পোশাক-সহ বিভিন্ন মডেল দিয়ে সাজবে মণ্ডপ। পুজো উপলক্ষে শতাধিক স্থানীয় বয়স্কদের নিয়ে যাওয়া হবে নবদ্বীপে।

সেন্ট্রাল দমদম ইয়ং স্পোর্টিং ইউনিয়ন: ১৯তম বর্ষে উদ্যোক্তাদের থিম— তোমারি মাটির কন্যা। নারী শক্তির উত্থান মূল পরিকল্পনা। মণ্ডপে থাকবে খ্যাতনামা নারীর মডেল। শিক্ষা ক্ষেত্রে নারীর বিকাশ থেকে কন্যাশ্রী— বিভিন্ন দিক ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। মণ্ডপে ঢোকার আগে আর্ট গ্যালারিতে থাকবে রামকিঙ্কর বেজের শিল্পের অনুকরণে রবীন্দ্রনাথের মূর্তি।

মেলামেশা সঙ্ঘ: এই পুজোর ২৪তম বর্ষ। লক্ষাধিক মাটির প্রদীপ দিয়ে হচ্ছে মন্দিরের আদলে মণ্ডপ। প্রতিমা শ্যামাকালী।

পূর্ব সিঁথি কদমতলা ৭ এর পল্লি(বড়কালী): পুজোর ৬৬তম বর্ষে সাবেকিয়ানা বজায় রাখছেন পুজোর উদ্যোক্তারা। ২০ ফুট উঁচু শ্যামাকালীর প্রতিমা। মানানসই আলোকসজ্জা।

হরকালী কলোনি: ৬৭তম বর্ষে থিম শিকার করে ফিরে আদিবাসীদের উৎসব। গ্রাম্য পরিবেশে প্রতিমা চণ্ডীরূপে। চন্দনগরের আলোকসজ্জা।

মিলন পরিষদ ক্লাব (তানোয়ার কলোনি): ৭১ তম বর্ষে ছিন্নমস্তা কালীর অনুকরণে প্রতিমা। মাটি দিয়ে তৈরি হচ্ছে মন্দিরের আদলে মণ্ডপ। আলোকসজ্জা মানানসই।

সন্তান সঙ্ঘ: ৬৭তম বর্ষে রাজ্য সরকারের কন্যাশ্রী প্রকল্প তুলে ধরেছেন উদ্যোক্তারা। বিশ্ব বাংলার হাটও থাকছে। প্রতিমা সাবেক। চন্দনগরের আলোয় সাজবে এলাকা।

দাগা স্পোর্টিং ক্লাব: ৫৫ তম বর্ষে সাবেকিয়ানায় জোর দিচ্ছেন উদ্যোক্তারা। মণ্ডপ হচ্ছে আটচালা মন্দিরের অনুকরণে। আলোকসজ্জা মানানসই।

দক্ষিণ শহরতলি

বজবজ ডোঙারিয়া আপনজন: দক্ষিণ ভারতের মন্দিরের আদলের মণ্ডপে প্লাই-মাটির কারুকাজ হচ্ছে। গাঁজার কলকে, তুবড়ির খোল ও প্রদীপ দিয়ে অন্দরসজ্জা।

বজবজ যুবক সঙ্ঘ: বাঁশ, পাট দিয়ে কেদারনাথের মন্দিরের আদলে মণ্ডপ। বিশেষ ধরনের রঙ ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুজো কমিটির সদস্যরা। পাথরের উপর খোদাই করে হচ্ছে কালীর প্রতিমা।

পুজালি তরুণ সঙ্ঘ: পুরুলিয়ার একটি মন্দিরের আদলে মণ্ডপ। ভিতরে ও বাইরে কারুকাজ হচ্ছে বাঁশ, পাটকাঠি নারকেল দড়ি দিয়ে। প্রতিমা শ্যামাকালী।

গড়িয়া পূর্ব তেঁতুলবেড়িয়া সম্মিলনী: বাঁশ, কাঠ ও প্লাই দিয়ে দক্ষিণ ভারতের মন্দিরের আদলে মণ্ডপ। প্রতিমা চামুণ্ডা রূপে।

বারুইপুর প্রগতি সঙ্ঘ: থিম ‘অন্য পৃথিবীর খোঁজে’। প্লাই, থার্মোকল ও বিশেষ প্লাস্টিকের চাদর দিয়ে মহাকাশের নানা বৈচিত্র তুলে ধরা হবে। প্রতিমা শান্ত রূপে।

বারুইপুর কিশোর সঙ্ঘ: থিম স্বপ্নপুরী। মণ্ডপের প্রবেশপথ আ্যানাকোন্ডা। ভিতরে থাকবে টেরাকোটার কাজের নানা মডেল। প্রতিমা শ্যামাকালী।

 

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন