• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

পঞ্চাশ বছরে হরেক আকর্ষণ

Durgapuja

কোথাও মণ্ডপে পাটি শিল্পীর কারুকাজ। কোথাও আবার আইসক্রিমের কাঠি দিয়ে তৈরি হচ্ছে কাল্পনিক মন্দির। কোচবিহার জেলার দুই মহকুমার দুই সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষের পুজো আকর্ষণীয় করে তুলতে এমনই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একটি কোচবিহার শহরের শিবযজ্ঞ রোডে বয়েজ ক্লাবের পুজো। ওই পুজোতেই শীতল পাটির নানা কাজ করা হচ্ছে, সেই সঙ্গে রয়েছে বাঁশের কাজ। উদ্যোক্তারা জানান, মন্দিরের ভিতরে ও বাইরে থাকবে নানা কারুকাজ। মণ্ডপের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই থাকবে আলো। চন্দননগর থেকে আলো নিয়ে আসা হয়েছে। প্রতিমা নিয়ে আসা হয়েছে কৃষ্ণনগর থেকে। প্রতিমার মুখ ব্রোঞ্জের।

ওই ক্লাবের পুজো উদ্যোক্তা অনুপম দে, দুলালচন্দ্র ঘোষ, রাজকুমার দে জানান, সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বালাভুতের মানুষের পাশে দাঁড়ানোরও চেষ্টা করেছেন তাঁরা। খাবার ও বস্ত্র তুলে দিয়েছেন। পুজোর মধ্যেও তাঁরা বস্ত্র বিতরণ করবেন। তাঁরা বলেন, “পুজোয় হয়তো আরও  জাঁকজমক আনা যেত। কিন্তু বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানো উচিত বলে মনে করেছি।” মহালয়ার দিন শোভাযাত্রা বের হবে। থাকবে রাভা নৃত্য। পুজোর কয়েকদিন রোজই হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আরও পড়ুন: শূন্যে গুলি ছুড়ে সপ্তমী

পাশাপাশি দিনহাটার গোসানি রোডের সার্বজনীন দুর্গা পুজোতেও এ বার চমক রয়েছে। ওই পুজোর মণ্ডপ তৈরি করছেন মেদিনীপুরের কাঁথির শিল্পীরা। উদ্যোক্তারা জানান, দশ লক্ষ আইসক্রিমের কাঠি দিয়ে নানা নকশা করে কাল্পনিক মন্দির সাজিয়ে তোলা হবে। গত দু’মাস ধরে শিল্পীরা কাজ করছেন। চন্দননগরের আলোকসজ্জা এখানেও। চতুর্থীর দিন ওই পুজোর উদ্বোধন হবে। পুজো কমিটির সম্পাদক সুব্রত মুখোপাধ্যায়ও বলেন, ‘‘ইতিমধ্যেই বন্যার্তদের জন্য কিছু টাকা খরচ করেছি। আমাদের এ বারের বাজেটের একটা অংশ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য রাখা হয়েছে।”

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন