Advertisement
E-Paper

বাটি করে টক দই খেয়ে মন ভরে না? গ্রীষ্মে ৭ উপায়ে রোজের ডায়েটে যোগ করুন এই প্রোবায়োটিক

দইয়ে উপস্থিত প্রোবায়োটিক অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী বলে মনে করেন পুষ্টিবিদ থেকে চিকিৎসকেরা। কিন্তু পাতে এক বাটি টক দই— এর বাইরে কি দইয়ের আর কোনও ভূমিকা নেই? ৭ উপায়ে দইকে ব্যবহার করে সুস্বাদু খাবার ও পানীয় বানিয়ে ফেলতে পারেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ মে ২০২৬ ২০:৪০
দই দিয়ে কী কী বানাতে পারেন?

দই দিয়ে কী কী বানাতে পারেন? ছবি: সংগৃহীত।

বাইরে ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রা। আর তার সঙ্গে যুঝতে নায়কোচিত প্রবেশ টক দইয়ের। গ্রীষ্মের ঘরে ঘরে দইয়ের এই উপস্থিতি সিংহভাগের জন্যই স্বস্তিদায়ক। ঘরোয়া নানা কাজে দইয়ের ভূমিকা বেড়ে যায় এই সময়ে। একাধিক রান্না থেকে ত্বকচর্চা, প্রাণ জুড়োনো পানীয় থেকে কেশচর্চা— কিসে নেই ঘরে পাতা টক দই!

দইয়ে উপস্থিত প্রোবায়োটিক অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী বলে মনে করেন পুষ্টিবিদ থেকে চিকিৎসকেরা। তা ছাড়া দই তৎক্ষণাৎ শরীর ঠান্ডা করার ক্ষমতা রাখে। সাম্প্রতিক ‘সুপারফুড’-এর ভিড়ে ভারতীয় রান্নাঘরের এই সাধারণ খাবারগুলিই আসলে এখনও সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য বলে মনে করেন অনেকে। কিন্তু পাতে এক বাটি টক দই— এর বাইরে কি দইয়ের আর কোনও ভূমিকা নেই? ৫ উপায়ে দইকে ব্যবহার করে সুস্বাদু খাবার ও পানীয় বানিয়ে ফেলতে পারেন। রইল সন্ধান।

ঘোল

দেশের নানা প্রান্তে দই দিয়ে বানানো এই পানীয় পাওয়া যায়। কিন্তু অল্পবিস্তর ফারাক রয়েছে প্রত্যেকটির প্রস্তুত প্রণালীতে। পশ্চিমবঙ্গে দইয়ের সঙ্গে জল, বিটনুন, অল্প চিনি, লেবুর রস মিশিয়ে বানানো হয় ঘোল। চাইলে ভাজা জিরেগুঁড়োও দেওয়া যায়। গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে অনেকেই ভরসা রাখেন এই পানীয়ের উপর।

দই বড়া

বিউলির ডালের বড়া বানিয়ে তার উপর দই ঢেলে দেওয়া হয়। তার উপর চাটনি, ভাজা মশলা ছড়িয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা খাওয়া হয়। দই বড়ার জন্য দোকানের ভরসা করতে হবে না, বরং বাড়িতেই বানিয়ে নিন।

দই মাছ

বাঙালির প্রিয় দই মাছও বানিয়ে নিতে পারেন এই সময়ে। অল্প মশলা দিয়ে হালকা করে রান্না করা এই আমিষ পদটি চেটেপুটে খাবেন বাড়ির সকলে। বাঙালির হেঁশেলে দই দিয়ে মাছ রান্নার চল বহু পুরনো। টক দইয়ের মোলায়েম ঝোল গরমেও তুলনামূলক ভাবে হালকা লাগে অনেকের।

দই-ভাত

তামিলনাড়ু, তেলঙ্গানা, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশের খুব জনপ্রিয় খাবার দই-ভাত। তবে বাঙালির দই দিয়ে মাখা ভাত নয় কিন্তু। সাদা ভাত ও দইয়ের মিশ্রণের উপর বিশেষ ফোড়ন দিয়ে রান্না হয় এটি। শুকনোলঙ্কা, সর্ষে, কারিপাতা ও চিনাবাদাম দিয়ে তৈরি হয় ফোড়ন। শেষে আবার বেদানাও ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

দই কবাব

উত্তর ভারতের এই জনপ্রিয় স্ন্যাক্‌স ঘরে বানানো যায় সহজেই। বাইরে মুচমুচে আর ভিতরে নরম। এমন দই কবাব রাঁধা যায় কয়েকটি সাধারণ উপকরণ দিয়েই। গরম গরম কবাব পরিবেশন করুন ধনেপাতা বা পুদিনার চাটনির সঙ্গে।

দই চাট

রাস্তার খাবারের জগতেও দইয়ের জনপ্রিয়তা কম নয়। আলু, পাপড়ি, ছোলা আর ঠান্ডা দই মিশিয়ে তৈরি চাট এই গরমে বেশ আরামদায়ক। অনেকেই মশলাদার খাবারের বদলে এই স্বাস্থ্যকর ও মুখরোচক পদটি বেছে নেন।

রায়তা

তাপমাত্রা যত বাড়বে, রায়তার কদর ততই বেড়ে যাবে। শসা, পেঁয়াজ, পুদিনা বা ফল— বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে তৈরি রায়তা প্রায় সব ভারতীয় বাড়িতেই জনপ্রিয়। ঝাল, মশলাদার খাবার হোক সাদামাঠা ঝোল, গরমের সময়ে রায়তা পাশে রেখে খাওয়ার মজাই আলাদা।

Curd Rice Curd
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy