রোজ সকালে দুধ বা জল দিয়ে ওট্স খান। সঙ্গে থাকে ফলও। কখনও বা ওট্স দিয়ে খিচুড়ি বানিয়েও খান। কিন্তু প্রতি দিন এক ধরনের ওট্সের পদ খেতে মন চায় না। ঝালপ্রেমী হলে নতুন এক ধরনের খাবার বানিয়ে নিতে পারেন। ডিম দেওয়া ওট্সের স্যুপ। ঠিক ৫ মিনিটে রান্না হয়ে যায় এই পদ। সকালে, দুপুরে বা রাতে, যখন মন চায় এটি খেতে পারেন। শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা এই পদ আপনাকে আরাম দেবে।
কী ভাবে বানাবেন এই সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর স্যুপ। ছবি: সংগৃহীত
তাতে কী উপকারিতা মিলবে?
১. স্বাদ বদলাবে।
২. ডিমের জন্য প্রোটিন মিশবে ওট্সের পদে।
৩. পেট বেশি ক্ষণ ভর্তি থাকবে।
৪. পেটের জন্য স্বাস্থ্যকর হবে।
৫. ডিম থেকে ৯টি অ্যামিনো অ্যাসিডের গুণ মিশবে রান্নায়।
৬. কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট এবং প্রোটিনের মেলবন্ধনই এর বৈশিষ্ট্য।
ওট্সে মেশান ডিমের গুণ। ছবি: সংগৃহীত
এই স্যুপ বানাতে কী কী প্রয়োজন?
৪ টেবিল চামচ ওট্স
১টি ডিম
আধ চা চামচ গোলমরিচগুঁড়ো
একমুঠো ধনেপাতাকুচি
আধ চা চামচ মাখন
প্রয়োজন অনুযায়ী জল
স্বাদমতো নুন
আরও পড়ুন:
কী ভাবে বানাবেন স্যুপটি?
একটি পাত্রে জল ভরে গ্যাসে বসান। একটু গরম হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাতে ডিমটি ফাটিয়ে ফেলে দিন। কেউ কেউ একাধিক ডিমও মেশাতে পারেন। তার পর চামচ দিয়ে জলের সঙ্গে ডিমটা ভাল করে মিশিয়ে দিন। ধীরে ধীরে জলের মধ্যে ডিম সেদ্ধ হতে থাকবে। এ বার ওট্স ঢেলে দিন। সঙ্গে নুনও। এ বার জল ফুটতে শুরু করবে। আঁচ কমিয়ে দিন। একটানা নাড়তে থাকুন চামচ দিয়ে। নয়তো পাত্রের তলায় আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ২ মিনিটের মধ্যে ওট্স সেদ্ধ হয়ে যাবে। স্যুপটা কী ভাবে খেতে চান? জল টলটলে না কি মাখা মাখা, সেটা মাথায় রেখে জল ফুটিয়ে নিন। এ বার তাতে মাখন ঢেলে ভাল করে নাড়িয়ে নিন। শেষে পরিবেশনের সময়ে ধনেপাতাকুচি এবং গোলমরিচ মিশিয়ে নিতে হবে।