Advertisement
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২
Infection

Climatic Hazards: জলবায়ু পরিবর্তনে তীব্র হয় ৫৮ শতাংশ সংক্রামক রোগ, বলছে গবেষণা

আবহাওয়ার সঙ্গে সরাসরি যোগ রয়েছে অসুখের। গবেষকেরা দেখেছেন, যত বেশি কঠিন হবে আবহাওয়া, ততই বাড়বে সঙ্কট।

মানুষের পরিচিত ৫৮ শতাংশ সংক্রামক অসুখের প্রকোপ বাড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে।

মানুষের পরিচিত ৫৮ শতাংশ সংক্রামক অসুখের প্রকোপ বাড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে। ছবি-প্রতীকী

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা শেষ আপডেট: ০৯ অগস্ট ২০২২ ১৭:১৩
Share: Save:

এক দিকে করোনা, অন্য দিকে মাঙ্কিপক্স। এমনিতেই দুই রোগের প্রকোপ সামলাতে জেরবার গোটা বিশ্ব। তার মধ্যে নতুন রিপোর্ট প্রকাশিত হল। তাতে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে বাড়ে সব ধরনের সংক্রামক রোগের আশঙ্কা।

গবেষকরা দেখেছেন, মানুষের পরিচিত ৫৮ শতাংশ সংক্রামক অসুখের প্রকোপ বাড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে। এবং আবহাওয়ার পরিস্থিতি যত কঠিন হয়, ততই সংক্রামক রোগের তীব্রতা বাড়তে থাকে।

ইউরোপে একটি অংশ যেমন তাপপ্রবাহ সামলাতে নাজেহাল, অন্য কিছু অংশে চলছে প্রবল বৃষ্টি। কোথাও কোথাও বন্যা হওয়ার পরিস্থিতি। অন্য দিকে, আমেরিকায় আবার দফায় দফায় বিভিন্ন জঙ্গলে লাগছে আগুন। এ সবই হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে।

এরই মধ্যে ‘নেচার ক্লাইমেট চেঞ্জ’ নামক পত্রিকায় একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য কী কী বদল আসতে পারে, তা লেখা হয়েছে। সেখানেই বলা আছে, এ ধরনের পরিবর্তন কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে কোনও কঠিন সংক্রামক রোগের তীব্রতা।

যে কোনও সংক্রামক রোগের তীব্রতা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

যে কোনও সংক্রামক রোগের তীব্রতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ছবি-প্রতীকী

আবহাওয়ার সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের রোগের সম্পর্ক তো আছেই। কিন্তু চিকিৎসকরা দেখছেন, যে কোনও সংক্রামক রোগের তীব্রতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ফলে গবেষকদের বক্তব্য, আগের চেয়েও বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে জলবায়ু পরিবর্তনকে।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, এখনও সে ভাবে দেখা যায়নি সব ধরনের রোগ সব ধরনের আবহাওয়াতেই বেড়ে যাচ্ছে কি না। তবে যে সব জায়গায় অতিরিক্ত বদল এসেছে, সেখানে রোগের প্রকোপ বাড়বেই।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.