Advertisement
E-Paper

রোজের ডায়েটে চিয়া, তুলসী, কুমড়োর বীজ রাখছেন? উপকার নয়, উল্টে ক্ষতি হবে কাদের জানেন?

সামগ্রিক ভাবে শরীর ভাল রাখতে কাজ করে বীজগুলি। তাই পুষ্টিবিদের সঙ্গে কোনও রকম পরামর্শ ছাড়াই প্রাতরাশে ওট্‌সের সঙ্গে, জিমে যাওয়ার আগে স্মুদির সঙ্গে কিংবা হালকা খিদে পেলে একমুঠো রকমারি বীজের মিশ্রণ খেয়ে নিচ্ছেন অনেকেই। এতে পেট ভরছে, তবে শরীরের ক্ষতি হচ্ছে না তো?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬ ১৩:২৯
কুমড়ো, তুলসী, চিয়া বীজ কাদের খাওয়া একেবারেই উচিত নয়?

কুমড়ো, তুলসী, চিয়া বীজ কাদের খাওয়া একেবারেই উচিত নয়? ছবি: সংগৃহীত।

ক্রমশই দ্রুত গতির জীবনধারার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি সকলে। তার ফলে বাড়ছে নিত্যনতুন চাপ। অনিদ্রা-সহ নানা ধরনের অসুস্থতা এখন আমাদের সঙ্গী। তাই খাদ্যতালিকায় এমন কিছু জিনিস রাখা দরকার, যা স্বাস্থ্যের হাল ফেরাতে খানিকটা হলেও সহায়তা করতে পারে। নেটমাধ্যম দেখে তিসি, চিয়া, তুলসী, সূর্যমুখীর বীজ দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় জুড়ছেন অনেকেই। সামগ্রিক ভাবে শরীর ভাল রাখতে কাজ করে বীজগুলি। তাই পুষ্টিবিদের সঙ্গে কোনও রকম পরামর্শ ছাড়াই প্রাতরাশে ওট্‌সের সঙ্গে, জিমে যাওয়ার আগে স্মুদির সঙ্গে কিংবা হালকা খিদে পেলে একমুঠো রকমারি বীজের মিশ্রণ খেয়ে নিচ্ছেন অনেকেই। এতে পেট ভরছে, তবে শরীরের ক্ষতি হচ্ছে না তো?

বীজ আদতে শরীরের জন্য বেশ স্বাস্থ্যকর। তবে কিডনির সমস্যা থাকলে কিন্তু রোজের ডায়েটে বীজ রাখা মোটেও ভাল নয়। পুষ্টিবিদ শ্বেতা চক্রবর্তীর বলেন, ‘‘পরিমিত মাত্রায় বীজ খাওয়া শরীরের পক্ষে বেশ ভাল। তবে কিডনির সমস্যা থাকলে কিন্তু রোজের ডায়েটে বীজ রাখা চলবে না। বিভিন্ন প্রকারের বীজে ভরপুর মাত্রায় পটাশিয়াম, ফসফরাস আর প্রোটিনের মতো উপাদান থাকে। কিডনি ঠিকঠাক কাজ করলে রক্তে এই সব উপাদানের ভারসাম্য ঠিক থাকে। তবে কিডনি সমস্যা করলে রক্তে এই উপাদানগুলির মাত্রা স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই বেড়ে যায়। সে ক্ষেত্রে নানা রকম শারীরিক সমস্যা তৈরি হতে পারে।’’

শরীরের যা কিছু অতিরিক্ত, অপ্রয়োজনীয়, কিডনি তা রক্ত থেকে ছেঁকে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বার করে দেয়। ঠিক সে কারণেই কিডনির অসুখ হলে বা কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে সমস্যা হয় অনেকটাই। বিশেষত, কিডনির সমস্যার কারণে যাঁদের ডায়ালিসিস করাতে হয়, তাঁদের খাওয়াদাওয়ায় যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণ চলে আসে। সোডিয়াম, পটাশিয়ামের মতো খনিজ জরুরি হলেও, কিডনির অসুখের রোগীদের ক্ষেত্রে তা খাওয়া যায় না যথেচ্ছ। যেহেতু কিডনি ঠিকমতো কাজ করতে না পারলে শরীর থেকে সোডিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়ামের মতে খনিজ বার করে দিতে পারে না, তাই সেগুলি শরীরে জমে যাওয়ার প্রবণতা থাকে।

কিডনির রোগীরা বেশি মাত্রায় বীজ খেতে শুরু করলে কী কী সমস্যা হতে পারে?

১) হাড়ের ক্ষয় শুরু হয়।

২) শরীরে দুর্বলতা আসে।

৩) হৃদ্‌স্পন্দনের ছন্দ ব্যাহত হয়।

প্রতিটি বীজেরই রকমারি উপকারিতা আছে। তাই ডায়েটে নানা ধরনের বীজ রাখাই যায়। তবে নেটমাধ্যম দেখেই বীজ খাওয়া শুরু করবেন না। পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে তবেই বীজ খান। কতটা খাবেন, সেই বিষয়টিও পুষ্টিবিদের থেকে জেনে নিন।

Kidney Care Kidney Problems
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy