জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, আত্মবিশ্বাস এবং আত্মমর্যাদা সাধারণত সূর্য এবং মঙ্গল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। জন্মকুণ্ডলীতে এই গ্রহগুলির দুর্বল অবস্থান থাকলে তার ফলে মানুষের মনে সংশয় বা আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দেয়। আত্মবিশ্বাস বাড়াতে জ্যোতিষশাস্ত্রের কিছু সহজ এবং কার্যকরী প্রতিকার নিয়ে নীচে বিস্তারে আলোচনা করা হল—
গায়ত্রী মন্ত্র জপ
প্রতি দিন সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে নিয়ম করে ৯ বার, ২৭ বার অথবা ১০৮ বার গায়ত্রী মন্ত্র জপ করলে আপনার শক্তি সূর্যের শক্তির সঙ্গে সারিবদ্ধ হয়।
সূর্যদেবকে জল নিবেদন
সূর্য হল আত্মবিশ্বাস এবং ব্যক্তিগত ক্ষমতার মূল উৎস। সূর্যের শক্তি বৃদ্ধি পেলে আপনি নিজেকে আরও দৃঢ় ভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন। সে কারণে প্রতি দিন সকালে উদীয়মান সূর্যকে জল নিবেদন করুন। একটি তামার পাত্রে জল নিয়ে পূর্ব দিকে মুখ করে জল ঢালুন এবং জলের ধারার মধ্য দিয়ে সূর্যের আলোর দিকে তাকানোর চেষ্টা করুন।
আরও পড়ুন:
চুনি বা সানস্টোন ধারণ
আপনার জন্মকুণ্ডলী অনুযায়ী উপযুক্ত হলে অনামিকা আঙুলে একটি চুনি ধারণ করলে আত্মবিশ্বাস মারাত্মক ভাবে বৃদ্ধি পায়। চুনির পাশাপাশি ক্রিস্টাল ধারণ করতে চাইলে সানস্টোন ব্যবহার করাও বেশ নিরাপদ এবং কার্যকরী বলে মনে করা হয়।
পিতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সম্মান করা
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, সূর্যদেব পিতৃত্বের রূপকে প্রতিনিধিত্ব করে। বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা এবং গুরুজনদের সম্মান করলে সূর্যদেব প্রসন্ন হন।
আরও পড়ুন:
শরীরচর্চা
হিন্দু ধর্মমতে, মঙ্গল গ্রহ কর্ম পছন্দ করে। নিয়মিত ব্যায়াম, মার্শাল আর্ট বা শরীরচর্চা করলে শরীরের অলসতা দূর হয় এবং সাহস বাড়ে।
প্রবাল ধারণ
মঙ্গল আপনার কুণ্ডলীর অনুকূলে থাকলে, একটি প্রবাল ধারণ করতে পারেন। এর ফলে দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।
মঙ্গলবার দান করা
সপ্তাহের প্রতি মঙ্গলবার দুঃস্থদের মুসুর ডাল বা মিষ্টি দান করলে জীবনে মঙ্গলের নেতিবাচক প্রভাব দূর হয় এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে।