যত দিন যাচ্ছে উদ্বেগ, হতাশা প্রভৃতিতে ভোগার পরিমাণ যেন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষের মধ্যে অস্থিরতার বেড়ে যাচ্ছে। শান্তি না থাকলে কোনও কাজ ঠিকমতো করে ওঠা যায় না। কাজে ভুল হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে অশান্তি আরও বেড়ে যায়। এর জন্য মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ তো অবশ্যই নেওয়া উচিত। তবে শাস্ত্রে মনের ভিতর চলতে থাকা অশান্তির জন্য বিভিন্ন বিষয়কে দায়ী করা হয়। এরই সঙ্গে তা থেকে মুক্তি পাওয়ারও বিভিন্ন কারণ বলা রয়েছে শাস্ত্রে। সে সম্বন্ধে জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
১. শাস্ত্রমতে চাঁদ আমাদের মনের কারক। কোষ্ঠীতে চাঁদ দুর্বল থাকলে উদ্বেগ, চাপ প্রভৃতি মানসিক সমস্যায় ভোগার প্রবণতা দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে চাঁদকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে সুবিধাই হয়। এর জন্য নিয়মিত ‘ওম চন্দ্রয়ে নমো’ মন্ত্রটি জপ করতে হবে।
২. গ্রহরত্নের মতোই নির্দিষ্ট শিকড় ধারণের সুফল প্রাপ্তি হয়। মন ভাল রাখতে এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য শনিবার দিন হাতে লাল রঙের সুতো দিয়ে অশ্বগন্ধার শিকড় বাঁধা যেতে পারে। তবে এ কাজ করার আগে জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে নিতে পারলে ভাল হয়।
আরও পড়ুন:
৩. প্রতি মাসে পূর্ণিমার দিন মাটির পাত্রে দুধ নিয়ে গরিবদের দান করুন। এর ফলে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত হবে। চাপ, উদ্বেগ প্রভৃতি সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।
৪. নিয়মিত ধ্যান করতে হবে। মনকে শান্ত করার এর থেকে ভাল উপায় আর হয় না। প্রতি দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বা রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ধ্যান করুন। এই সময় মন ভাল করার মতো কোনও জিনিস ভাবতে পারেন বা মন্ত্রোচ্চারণ করতে পারেন।
আরও পড়ুন:
৫. চন্দ্রের সঙ্গে শিবের সম্পর্ক রয়েছে বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। সোমবার করে শিবলিঙ্গে দুধ অভিষেক করুন। এর ফলে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত হয় বলে মনে করা হয়।
৬. যে কোনও শুভ কাজে যাওয়ার আগে কেশর, চন্দন এবং হলুদের মিশ্রণ কপালে টিকা হিসাবে পরে যান। এর ফলে উদ্বেগের হাত থেকে রেহাই মিলবে। কাজে সফলতা প্রাপ্তিতেও সুবিধা হবে।
৭. প্রতি দিন স্নানের সময় জলে অল্প দুধ মিশিয়ে স্নান করতে পারেন। এর ফলেও মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত হয় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র।