Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৩ অক্টোবর ২০২১ ই-পেপার

রাহুলের ঢাল হয়ে আসরে সনিয়া

নিজস্ব সংবাদদাতা
নয়াদিল্লি ১১ জানুয়ারি ২০১৫ ০২:৪২

শুধু সোশ্যাল মিডিয়া নয়, উঠতে বসতে দলীয় নেতারাই এখন কংগ্রেসের শোচনীয় অবস্থার জন্য রাহুল গাঁধীর নড়বড়ে নেতৃত্বকে দায়ী করছেন। তখন আজ দলের মতাদর্শ ও সাংগঠনিক সংস্কারের মোড়কে ছেলের ঢাল হতে মাঠে নামলেন মা।

মৌখিক বার্তা নয়। বরং সব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির কাছে ইংরেজিতে লেখা বার্তায় সনিয়া গাঁধী আজ জানালেন, রাহুলের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং তাঁকে ঘিরে মানুষের আবেগে কমতি নেই। তাঁর কথায়, “প্রগতিশীল ও উদারবাদী রাজনীতির সহজাত প্রতীক হলেন কংগ্রেস সহ-সভাপতি।” রাহুলের সেই ভাবমূর্তিকে রাজনৈতিক পুঁজি করার পাশাপাশি তা রক্ষাও করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন সনিয়া। যার অর্থ, রাহুলের নেতৃত্বকে মেনে নাও এবং বিরোধীরা যেভাবে তাঁকে খাটো করার চেষ্টা করছে তা প্রতিহত করো।

বস্তুত লোকসভা ভোটের আগে থেকেই কংগ্রেসের রেখচিত্র নিম্নমুখী। সনিয়া ঘনিষ্ঠদের মতে, সাধারণ নির্বাচনের পর নেতিবাচক মনোভাবের ফলে দলের আরও বারোটা বাজছে। কংগ্রেসেরই বেশ কিছু শীর্ষ নেতা নিজেদের দায় এড়াতে রাহুলকে সহজ নিশানা করে নিয়েছেন। দলের ভরাডুবির জন্য নিজেদের দায় ঝেড়ে ফেলতে একই পথে হাঁটছেন রাজ্যস্তরের নেতারাও।

Advertisement

সবার একটাই দাবি, মোদীর সামনে রাহুলের নেতৃত্ব নিতান্তই দুর্বল। আর সেই কারণেই জমি হারাচ্ছে কংগ্রেস। তাই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিকে নোট পাঠিয়েছেন সনিয়া। দলের মতাদর্শ, সাংগঠনিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, জনভিত্তি বাড়ানো ইত্যাদি বিষয়ে ওই নোটের ভিত্তিতে প্রদেশ জেলা ও ব্লক স্তরে আলোচনা করে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশও দিয়েছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া।

১১ পৃষ্ঠা দীর্ঘ সেই নোটেই সনিয়া নেতৃত্বের প্রশ্নে রাহুলের ঢাল হয়েছেন। রাহুল সম্পর্কে তিনি প্রকাশ্যে এত সক্রিয় আগে হননি। সহ-সভাপতি পদে রাহুলের অভিষেকের সময়ও এগিয়ে দিয়েছিলেন দলের নেতাদের। আজ এই প্রথম, ছেলের দুর্দিনে মাঠে নামতেই হল সনিয়াকে। অনেকের মতে, শুধু কংগ্রেসের নেতা-কর্মী নয়, রাহুল সম্পর্কে সনিয়া আজ বার্তা দিতে চেয়েছেন দেশকেও। সেই কারণে প্রদেশ সভাপতিদের কাছে তাঁর পাঠানো নোটটি আজ প্রকাশ করে দেওয়া হয়েছে।

রাহুল সম্পর্কে সংবাদমাধ্যম ও বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিয়ে সনিয়া আজ বলেন, “গত দু’মাস ধরে আমার অনুরোধেই কংগ্রেস সহ-সভাপতি গোটা দেশের দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। মূলত তিনটি বিষয়ে তিনি আলোচনা করেছেন। এক, দলের মতাদর্শ, দুই সাংগঠনিক সংস্কার এবং তিন ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ।”

আরও পড়ুন

Advertisement