কেন্দ্রীয় আবাসন এবং নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের সঙ্গে দ্রুত বৈঠকে বসতে চেয়ে আর্জি জানাল ঐতিহ্যবাহী দিল্লি জিমখানা ক্লাব। শনিবার সদস্যদের বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে সে কথা জানিয়েছেন ক্লাবের কর্তৃপক্ষ। তাঁদের তরফে বিবৃতি দিয়ে আরও জানানো হয়েছে যে, লুটিয়েন্স দিল্লির ওই জায়গাতেই যাতে ক্লাব চালানো যায়, তা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
দিল্লি জিমখানা ক্লাবের তরফে জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশিকা পাওয়ার পরেই পরিচালন সমিতি বৈঠকে বসেছিল। ভূমি এবং উন্নয়ন দফতর (এল অ্যান্ড ডিও)-কে দ্রুত চিঠিও পাঠানো হয়েছে। সদস্য এবং ক্লাবের কর্মীদের স্বার্থে কিছু বিষয় স্পষ্ট করতে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের অধীনে থাকা ওই দফতরকে। দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার জন্য সময় চেয়ে আর্জিও জানানো হয়েছে।
দিল্লি জিমখানা ক্লাবকে আগামী ৫ জুনের মধ্যে লুটিয়েন্স দিল্লির ২৭.৩ একর জমি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ২২ মে আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের অধীনস্থ ভূমি ও উন্নয়ন দফতর (এল অ্যান্ড ডিও)-এর তরফে জিমখানা ক্লাবকে নির্দেশিকা পাঠানো হয়। সেই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, দেশের রাজধানীর সংবেদনশীল এবং কৌশলগত এলাকার মধ্যে ওই ক্লাবটি রয়েছে। জনগণের নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে ওই জমির প্রয়োজন রয়েছে। লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছেই বিশাল এলাকা জুড়ে রয়েছে দিল্লির ওই অভিজাত ক্লাব। চার পাশে রয়েছে সরকারি এবং প্রতিরক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন দফতর, ভবন।
আরও পড়ুন:
২, সফদরজঙ রোডের ওই জমি আদতে ইজারা দেওয়া হয়েছিল ইম্পেরিয়াল দিল্লি জিমখানা ক্লাব লিমিটেডকে। এখন তা হয়েছে দিল্লি জিমখানা ক্লাব। সামাজিক মেলামেশা, খেলাধুলার জন্যই সেই জমি দেওয়া হয়েছিল। এখন জনস্বার্থ এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত প্রকল্পের কারণে সেই জমির প্রয়োজন হয়েছে বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রের নির্দেশিকায়।