×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ই-পেপার

২৬ জানুয়ারি কৃষকদের ট্র্যাক্টর মিছিল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিল্লি পুলিশেরই

সংবাদ সংস্থা
লখনউ ২০ জানুয়ারি ২০২১ ১৭:১৯
ট্র্যাক্টর মিছিল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে দিল্লি পুলিশকেই।

ট্র্যাক্টর মিছিল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে দিল্লি পুলিশকেই।
—ফাইল চিত্র।

প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষকদের ট্র্যাক্টর মিছিল নিয়ে যা করার দিল্লি পুলিশকেই করতে হবে। বিতর্কিত কৃষি আইন নিয়ে নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যে জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার সকালে বিষয়টি থেকে হাত তুলে নেয় সুপ্রিম কোর্ট। জানিয়ে দেওয়া হয়, এ নিয়ে কোনও রায় শোনাবে না শীর্ষ আদালত। পুলিশকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তার পর দিল্লি পুলিশের কোর্টে বল ঠেলে দেয় কেন্দ্রও।

কৃষকদের ট্র্যাক্টর মিছিল রুখতে কেন্দ্রীয় সরকারই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। কিন্তু বুধবার শুনানি চলাকালীন আদালতের তরফে বলা হয়, ‘‘সভা এবং মিছিলে অনুমতি দেওয়া, না দেওয়া নিয়ে আদালতের রায় দেওয়া ঠিক নয়। এটা সম্পূর্ণ ভাবে পুলিশের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে। পুলিশকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমরা কোনও রায় শোনাব না।’’ এর আগে সোমবারও একই কথা জানিয়েছিল প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ।

বুধবার দশম দফায় কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন আন্দোলনকারী কৃষকদের প্রতিনিধিরা। বিতর্কিত ৩টি আইন তুলে নেওয়ার দাবিতেই এখনও অনড় তাঁরা। সেই দাবি নিয়েই ২৬ জানুয়ারি রাজধানীতে ট্র্যাক্টর মিছিল নিয়ে ঢোকার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। কিন্তু প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন কৃষকদের বিক্ষোভের ছবি দেশের ভাবমূর্তির পক্ষে মোটেই সুখকর হবে না বলে আদালতে জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তবে কৃষকরা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, শান্তিপূর্ণ মিছিলই করবেন তাঁরা। তাঁদের জন্য রাজপথে কুচকাওয়াজেও কোনও রকম বিঘ্ন ঘটবে না।

Advertisement

বুধবার আদালতে কৃষকদের হয়ে সওয়াল করছিলেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে অবমাননার দায়ে সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করে আদালত। বুধবার আদালতে তিনি বলেন, ‘‘ওঁরাও প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করবেন। ট্র্যাক্টর নিয়ে মিছিল করলেও, শান্তিভঙ্গ করবেন না কোনও ভাবেই।’’ জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘খেয়াল রাখুন, দিল্লির মানুষের শান্তিভঙ্গ যেন না হয়। আদালত গোটা ঘটনায় অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।’’

এর প্রেক্ষিতে অ্যাটর্নি জেনারেল কেকে বেণুগোপাল যুক্তি দেন, কমপক্ষে ৫ হাজার ট্র্যাক্টর রাস্তায় নামতে চলেছে। তাতে চেপে রাজধানী জুড়ে দাপিয়ে বেড়াবেন সকলে। সেখান থেকে অশান্তি ছড়াতে পারে। তবে প্রশান্ত যখন শান্তিপূর্ণ মিছিলে আশ্বাস দিয়েছেন, তাঁরা ভরসা পাচ্ছেন বলে জানান প্রধান বিচারপতি।

Advertisement