এমসের পর এ বার আইসিএমআর। কিন্তু এমসের ক্ষেত্রে সাইট ‘হ্যাক’ করতে সক্ষম হলেও আইসিএমআরের ওয়েবসাইট হ্যাক করতে গিয়ে কালঘাম ছুটল হ্যাকারদের। সূত্রের খবর, কয়েক হাজার বার চেষ্টা করেও কুলকিনারা খুঁজে না পেয়ে খান্ত দেয় হ্যাকাররা।
গত মাসে দিল্লির এমসের সার্ভার হ্যাক করে হ্যাকাররা। ব্যাপক প্রভাব পড়ে পরিষেবায়। পরিস্থিতি এমন হয় টানা ১০ দিন সার্ভার বন্ধ রেখে মেরামতির কাজ চালাতে হয় প্রযুক্তিবিদদের। এ বার তেমন ভাবেই একটি কালো তালিকায় থাকা আইপি অ্যাড্রেস থেকে আইসিএমআরের ওয়েবসাইট হ্যাক করার চেষ্টা চলে। সূত্রের খবর, গত ৩০ নভেম্বর, হংকঙের একটি কালো তালিকাভুক্ত আইপি থেকে আইসিএমআরের ওয়েবসাইট হ্যাক করার চেষ্টা শুরু হয়। সারা দিনে ৬ হাজার বার হ্যাক করার চেষ্টা হলেও বিফলে যায় পরিশ্রম। হ্যাক করা যায়নি আইসিএমআরের ওয়েবসাইট।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, হ্যাকিংয়ের সম্ভাবনা যে রয়েছে তা বিলক্ষণ জানত আইসিএমআর। তাই ওয়েবসাইটের ফায়ারওয়াল ছিল আপডেটেড। এ ছাড়াও সমস্ত নিরাপত্তাজনিত ব্যবস্থাও যথাযথ ভাবে মেনে চলা হয়েছিল। স্বভাবতই হ্যাকারদের হাজার প্রচেষ্টা বিফলে যায়।
গত ৪ ডিসেম্বর দিল্লির এমসের মূল ভবনের উল্টো দিকের সফদরজং হাসপাতালের সার্ভারও হ্যাক হয়েছিল। কিন্তু কিছু ক্ষণের মধ্যেই তা সারিয়ে ফেলা হয়।