এ বার ইজ়রায়েলে বসানো হচ্ছে ছত্রপতি শিবাজির মূর্তি। ভারতের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ বন্ধুত্বের বার্তা দিতেই ইজ়রায়েলের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও তেল আভিভের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক যথেষ্ট মজবুত। সেই সম্পর্কের বুননকে আরও মজবুত করতেই সেখানে শিবাজির মূর্তি স্থাপন করে বড় বার্তা দিতে চাইল বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দেশ।
সম্প্রতি মুম্বইয়ে ইজ়রায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়ানিভ রিভ্যাক এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন। এই প্রকল্পের মধ্য দিয়েই ভারত এবং ইজ়রায়েলের এক সাংস্কৃতিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টাও করা হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, ইজ়রায়েলে প্রচুর ভারতীয়ের বাস। সেখানের ডিমোনা শহরে প্রচুর ভারতীয় থাকেন। ফলে এই শহরকে ‘মিনি ইন্ডিয়া’ও বলা হয়।
সংবাদসংস্থা এএনআইকে রিভ্যাক বলেন, ‘‘ভারতে ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের মাহাত্ম্য এবং গুরুত্ব কতটা তা আমরা জানি। শিবাজি মহারাজের বিশালাকার মূর্তি স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ইজ়রায়েলে। এখান থেকে সেই মূর্তি নিয়ে যাওয়া হবে। এটিকে শুধুমাত্র একটি সাধারণ প্রকল্প হিসাবে দেখলে হবে না। এই প্রকল্পের সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। এই মূর্তিস্থাপনার মাধ্যমেই ভারত এবং ইজ়রায়েলের মানুষের মধ্যে একটা সৌহার্দ্যের পরিবেশ গড়ে উঠবে। ইজ়রায়েলের কোনও বড় শহরে এই মূর্তিস্থাপনার পরিকল্পনা চলছে।’’ তবে কোন শহরে এই শিবাজি মহারাজের মূর্তি স্থাপন করা হবে, তা নিয়ে কিন্তু স্পষ্ট ভাবে কিছু বলেননি রিভ্যাক।
এই প্রকল্পের জন্য মহারাষ্ট্র সরকারের সহযোগিতা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ইজ়রায়েলি রাষ্ট্রদূত। শিবাজি মহারাজের ইতিহাস এবং তাঁর কৃতিত্ব সম্পর্কে ইজ়রায়েলিদের পরিচয় করানোই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। রিভ্যাকের কথায়, ‘‘ভারতের যেখানেই গিয়েছি, ইজ়রায়েল সম্পর্কে ভারতীয়দের মধ্যে একটা শ্রদ্ধা চোখে পড়েছে। তাই ইজ়রায়েলের সঙ্গে ভারতের যে আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে, সেই সম্পর্ককে মজবুত করার লক্ষ্যে আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ করা হবে। তার প্রথম ধাপ হল শিবাজি মহারাজের মূর্তিস্থাপনা।’’