ত্বিশা শর্মার মৃত্যুতে রহস্য ক্রমশ বাড়ছে। সেই রহস্য উন্মোচন করতেই এ বার তাঁর শেষ হোয়াট্সঅ্যাপ চ্যাট পরীক্ষা করে দেখতে চাইছে সিবিআই। সূত্রের খবর, শুধু হোয়াট্সঅ্যাপ চ্যাটই নয়, ত্বিশার দেহে যে একাধিক আঘাতের চিহ্ন মিলেছে, সেগুলি কি সাম্প্রতিক কালের, না কি পুরনো কোনও আঘাত, তা-ও খতিয়ে দেখা হবে। ঘটনাচক্রে, ত্বিশার পরিবার এই আঘাতের চিহ্ন মেলার বিষয়টি নিয়ে বার বারই প্রশ্ন তুলছে। শ্বশুরবাড়িতে তাঁর উপর যে অত্যাচার চালানো হত, এই আঘাতই তার প্রমাণ বলে দাবি ত্বিশার পরিবারের।
সূত্রের খবর, এই দু’টি বিষয় ছাড়াও ত্বিশার গর্ভপাতের কারণও খতিয়ে দেখা হবে। সব সূত্রকে একত্রিত করে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, মৃত্যুর আগে ত্বিশা তাঁর মাকে যে মেসেজ পাঠিয়েছিলেন, সেখানে মানসিক অবসাদ, অসুস্থ পরিবেশের কথা উল্লেখ করেছিলেন। ওই হোয়াট্সঅ্যাপ চ্যাটে কী উল্লেখ করতে চেয়েছিলেন ত্বিশা, কেন অসুস্থ পরিবেশের কথা উল্লেখ করেছিলেন তা ঘিরে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। আর সেই রহস্য উন্মোচন করতেই মৃত্যুর আগে ঠিক কী কী হয়েছিল, সেই তথ্যপ্রমাণ জোগাড় শুরু করেছেন তদন্তকারীরা।
আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, ত্বিশার মৃত্যুতে হোয়াট্সঅ্যাপ চ্যাট এবং বাপের বাড়িতে ফোন— এই দু’টি বিষয় তদন্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ত্বিশার দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্নের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু তদন্তকারীরা এটা নিশ্চিত হতে চাইছেন যে, সেই আঘাত কত দিনের পুরনো। সেই আঘাত কি ত্বিশার মৃত্যুর কয়েক দিন আগের, না কি বেশ পুরনো। সূত্রের খবর, তদন্তকারীরা হোয়াট্সঅ্যাপ চ্যাটের সময়ের উপরেও বিশেষ নজর দিতে চাইছেন। প্রসঙ্গত, সোমবার ত্বিশার মৃত্যুমামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট। তাঁর স্বামী ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন। ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। গত ১২ মে ত্বিশার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় ভোপালে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে।