• author
  • আত্রেয়ী ঘোষ
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

অবসাদই প্রাণ নিতে পারে অনেকের

Depression
—প্রতীকী চিত্র
  • author
পৃথিবীর আর পাঁচটা শহরের মতো আমরাও এখন গৃহবন্দি। করোনা নিয়ে আমেরিকায়  সচেতনতা অনেক পরে এসেছে। যার মাসুল দিতে হচ্ছে এখন। এখানে অধিকাংশ গভর্নরেরা চাইছেন পুরোপুরি লকডাউন, কিন্তু প্রেসিডেন্ট তা চাইছেন না! সাধারণ মানুষেরাও অনেকেই নিয়ম মানছেন না। সেই দলে জোয়ান-বুড়ো সবাই আছে। অল্পবয়সিরা ভাবছেন তাঁদের কিছু হবে না। আর বয়স্করা মনে করেন, প্রভু যিশু তাঁদের বাঁচিয়ে দেবেন! তবু বলব, পিটসবার্গের গভর্নর সচেতন বলে লকডাউন নিয়ে অন্যদের চেয়ে কড়াকড়ি এখানে অনেক বেশি।
 
এ দিকে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় সমস্যা হচ্ছে অনেক বাচ্চার। এখানে শিশু নিগ্রহের সমস্যা প্রকট। সেই সব বাচ্চার সুরক্ষিত জায়গা স্কুল। তাদের পক্ষে লকডাউনের জন্য দিনের পরে দিন বাড়িতে থাকা দুঃস্বপ্নের মতো। সব চেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন বয়স্করা। দীর্ঘ শীতের পরে তাঁদের গৃহবন্দি দশা কাটে এপ্রিল মাস থেকে, বসন্তের আগমনে। কিন্তু এ বছর তাঁরা তা-ও পারছেন না। ভারতে যেমন বহু মানুষের অনাহারে মারা যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে তেমন এখানে খাবারের অভাবে না-হলেও অবসাদেই হয় তো অনেকে মারা যাবেন!
 
ছোটখাটো দোকান, রেস্তরাঁ, পাব সব বন্ধ। অনেক মালিকই কর্মীদের তিন মাস বেতন দেবেন না, তার বদলে চাকরিতে বহাল রাখবেন। সব জিনিস পাওয়া না-গেলেও অনলাইন শপিংসাইটগুলো পুরোদস্তুর খোলা। ডেলিভারি যাঁরা দেন, তাঁরা যদি কাজে না-যেতে চান তা হলে তাঁদের চাকরি যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।  সুতরাং তাঁরা নিরুপায়। দেখছি, এখন কলেজ পড়ুয়ারা ডেলিভারি বয়ের কাজ করছেন। ভারতীয় জিনিসপত্র পাওয়া যায় যে-সব দোকানে, তারা অনলাইন সার্ভিস না-দিলেও কী লাগবে তা জানিয়ে এসএমএস করলে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে যাচ্ছে। 
      (লেখক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত)

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন