• সংবাদ সংস্থা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বৃদ্ধকেও নিগ্রহ পুলিশের

police
এ বার মার শ্বেতাঙ্গ বৃদ্ধকে। নিউ ইয়র্কের বাফেলো শহরে বৃহস্পতিবারের এই ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই ফের কাঠগড়ায় আমেরিকার পুলিশ। ছবি: সোশ্যাল মিডিয়া

দু’-একটা কথা চালাচালির পরেই তেড়ে এসে ধাক্কা দিল দুই পুলিশ। টাল সামলাতে না-পেরে সটান কংক্রিটের রাস্তায় গিয়ে পড়লেন বৃদ্ধ। মাথা ঠুকে গেল। পরক্ষণেই দেখা গেল, গলগল করে রক্ত বেরোচ্ছে তাঁর কান থেকে। 

মিনিয়াপোলিসের পরে এ বার নিউ ইয়র্কের বাফেলো। প্রকাশ্য দিবালোকে ফের পুলিশি নৃশংসতার নজির মার্কিন মুলুকে। কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েডের ঘাড়ে হাঁটু দিয়ে চেপে তাঁকে মেরেই ফেলেছিল শ্বেতাঙ্গ পুলিশ অফিসার ডেরেক শভিন। ২৫ মে-র ওই ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই ফুঁসছে আমেরিকা। এরই মধ্যে কাল বিকেলে বাফেলোর রাস্তায় ৭৫ বছর বয়সি এক বৃদ্ধের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করতে দেখা গেল নিউ ইয়র্কের দাঙ্গা-পুলিশকে। ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পরেই অভিযুক্ত দুই পুলিশকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সাসপেন্ড থাকাকালীন বেতনও পাবে না তারা। স্থানীয় হাসপাতাল সূত্রের খবর, ওই বৃদ্ধ আপাতত স্থিতিশীল।

ফ্লয়েড-খুনের প্রতিবাদে কার্ফু ভেঙেই বিক্ষোভ চলছে। কাল বিকেলে বাফেলো সিটি হলের সামনেও জমায়েত হয়। তাদের হটাতে রাস্তায় নামে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় পাঁচ জনকে। বিক্ষোভ হটিয়ে পুলিশ যখন ফিরে যাচ্ছিল, তখনই ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, কাল প্রতিবাদ মিছিলেই ছিলেন ওই শ্বেতাঙ্গ বৃদ্ধ। পুলিশের ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে বৃদ্ধ ক্রমে নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছেন দেখে, অভিযুক্ত এক পুলিশ ঝুঁকে তাঁকে দেখতে যায়। বাধা দেয় দ্বিতীয় জন। পরে চারপাশের লোকেরা এ নিয়ে চিৎকার শুরু করায় অ্যাম্বুল্যান্স ডেকে হাসপাতালে পাঠানো হয় ওই বৃদ্ধকে। 

ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন নিউ ইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো এবং বাফেলোর মেয়র বায়রন ব্রাউন। ব্রাউন বলেন, ‘‘ভিডিয়োটি দেখে অত্যন্ত বিব্রত। পুলিশ কমিশনারও স্তম্ভিত। অভিযুক্তদের সাসপেন্ড করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।’’

দেশ জুড়ে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধেও। গত সোমবার হোয়াইট হাউসের সামনে থেকে বিক্ষোভকারীদের হটাতে তাঁর পুলিশ যে ভাবে দেদার কাঁদানে গ্যাস, লঙ্কাগুঁড়োর ব্যবহার করেছিল, তা নিয়ে কাল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করেছে একাধিক মানবাধিকার সংগঠন। এ দিকে, হোয়াইট হাউসের সামনে জমায়েত করা বিক্ষোভকারীদের ‘জঙ্গি’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে, এমন একটি চিঠি কাল টুইটারে শেয়ার করে ফের বিপাকে প্রেসিডেন্ট। চিঠিটি প্রাক্তন প্রতিরক্ষাসচিব জেমস ম্যাটিসকে লেখা ট্রাম্পের এক প্রাক্তন আইনজীবীর। হোয়াইট হাউস যদিও ‘জঙ্গি’ উল্লিখিত ওই চিঠি নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন