বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরার অভিযোগে চলতি মাসে তিন দফায় ৫২ জন ভারতীয় মৎস্যজীবীকে আটক করে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর টহলদারি দল তাঁদের আটক করে। ইলিশ ধরতে এসেই তাঁরা জলসীমা অতিক্রম করেন বলে অভিযোগ। তাঁদের কয়েকটি ট্রলারও বাজেয়াপ্ত করা হয়। কয়েক দিন আগে পদ্মায় মাছ ধরতে এসে সীমান্ত অতিক্রমের অভিযোগে প্রণব মণ্ডল নামে এক ভারতীয় মৎস্যজীবীকে আটক করে বর্ডার গার্ডস বাংলাদেশ (বিজিবি)। পরে তাঁকে তুলে দেওয়া হয় বাংলাদেশ পুলিশের হাতে। এর মধ্যেই জলসীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে চলে আসা তিন ভারতীয় মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করতে গিয়ে ফেরার পথে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) এক কনস্টেবলকে গুলি করার মারার অভিযোগ ওঠে বিজিবি-র বিরুদ্ধে। লড়াইয়ে এক বিএসএফ জওয়ান আহত হন বলেও দাবি। মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, মোংলা সমুদ্র বন্দরের কাছে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে আজ ১৪ জন মৎস্যজীবীকে আটক করা হয়। গত ৩ অক্টোবর বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরার সময় ২৩ জন ভারতীয়কে আটক করা হয়। গত ১ অক্টোবরেও মোংলা বন্দরের ৯০ নটিক্যাল মাইল দূরে ১৫ জন ভারতীয় মৎস্যজীবীকে আটক করা হয়েছিল।