কিশোরী মেয়ের ছদ্মবেশে জেল থেকে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ল কয়েদি বাবা। সম্প্রতি ব্রাজিলের একটি জেলে এমনই ঘটনা ঘটেছে। তাতে তাজ্জব নেট দুনিয়া।

ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোর একটি জেলে সম্প্রতি এই ঘটনা ঘটেছে। সে দেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম ক্লউভিনো দা সিলভা। বয়স ৪২। বেআইনি মাদক কারবার চালানোর দায়ে তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। ৭৩ বছর ১০ মাসের সাজা শুনিয়েছে।

কিন্তু জেলে মন বসছিল না ক্লউভিনোর। তাই পালানোর ছক কষতে শুরু করে। শনিবার সেই সুযোগ এসে যায় তার কাছে। মেয়ে দেখা করতে এলে, তাকে ফেলে রেখে কিশোরী মেয়ের বেশে নিজে বেরিয়ে যেতে উদ্যত হয়। কিন্তু বেশভূষা, হাঁটাচলা দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের। আর তা নিয়ে তল্লাশি করতেই দেখা যায়, সিলিকনের মুখোশের পিছনে আসলে লুকিয়ে ক্লউভিনোএক টান দিতেই খুলে হাতে চলে আসে মাথার পরচুলা। উপায় না দেখে এর পর নিজেই পরনের গোলাপি টপ খুলে ফেলে ক্লউভিনো।

আরও পড়ুন: একরত্তি দিদির তাত্ক্ষণিক বুদ্ধির জোরে বেঁচে গেল ভাই!​

রিও ডি জেনেইরোর কারাগার সচিবের তরফে বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। সিলিকনের মুখোশ ছেড়ে ক্লউভিনোর বেরিয়ে আসার একটি ভিডিয়োও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তারা, যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: ভিডিয়ো গেমের মতো চালানো যাবে ইজরায়েলের স্বয়ংক্রিয় এই ট্যাঙ্ক​

দেখা করতে আসা আত্মীয়স্বজনকে জেলে ফেলে, কয়েদিদের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা আগেও ঘটেছে ব্রাজিলে। আসল কয়েদির নাগাল পেতে বছরখানেক দৌড়তে হয়েছে সে দেশের প্রশাসনকে। তবে ক্লউভিনো দা সিলভার এই পরিকল্পনায় নড়েচড়ে বসেছে রিও জেল কর্তৃপক্ষ। দেখা করতে এসে পরিবারের লোকজনই তাকে সিলিকনের মুখোশ এবং ছদ্মবেশের জামাকাপড় জুগিয়েছে বলে ধারণা তাঁদের। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে ক্লউভিনোর ১৯ বছরের মেয়ের। বাবার পালানোয় তার কতটা ভূমিকা ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।