আগামী মাসে প্রতিবেশী দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। দক্ষিণ ভারত মহাসাগর অঞ্চলে কৌশলগত প্রশ্নে এবং গোটা অঞ্চলে চিনের প্রভাব হ্রাস-বৃদ্ধির প্রশ্নে এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভারতের কাছে।

এই প্রথম শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক ইতিহাসে ক্ষমতাসীন কোনও প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী বা বিরোধী দলনেতা লড়ছেন না দেশের সর্বোচ্চ পদের জন্য। প্রার্থী অনেকেই রয়েছেন কিন্তু মূলত দু’জনের দিকেই নজর রাখছে সাউথ ব্লক। তাঁরা শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপক্ষের ভাই চিন-পন্থী গোতাবায়া রাজাপক্ষে এবং বর্তমান শাসক দল ইউএনপি-র উপদলনেতা ও মন্ত্রী সাজিথ প্রেমদাসা। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজাপক্ষেকে সমর্থন করছে চিন। তিনি ওজনদার প্রার্থী হলেও প্রেমদাসাকে ‘কালো ঘোড়া’ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। ভারতের সঙ্গে তাঁর এবং তাঁর দলের সম্পর্ক ভাল। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের এই অংশে চিনের প্রভাব কমাতে দিল্লির প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে প্রেমদাসার দিকেই। তাঁর হাঁকডাক কম, সংখ্যালঘু এবং গ্রামীণ অঞ্চলে তাঁর ভোটব্যাঙ্ক মজবুত। গত পাঁচ বছরে প্রেমদাসার গৃহমন্ত্রিত্বে বিতর্ক হয়নি, অভিযোগও নেই। গত বছর সে দেশের রাজনৈতিক সঙ্কটে শান্তি ফেরাতে বড় ভূমিকা নেন প্রেমদাসা। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর নরেন্দ্র মোদীর প্রথম শ্রীলঙ্কা সফরে প্রেমদাসাকেই তাঁর ‘মিনিস্টার ইন ওয়েটিং’ করা হয়।