• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

এ বার নেপালের করোনা নিয়ে তোপ

KP Oli
নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি ওলি। ছবি: রয়টার্স
ঘুমিয়ে পড়া সার্ককে আবার জাগিয়ে তুলেছিলেন নরেন্দ্র মোদী— এমনই দাবি ছিল সাউথ ব্লকের। করোনা মোকাবিলার জন্য প্রধানমন্ত্রী সার্ক-এর নেতাদের নিয়ে ভিডিয়ো কনফারেন্স করেছিলেন। তার পরে প্রতিবেশীদের কাছে প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চিকিৎসা সরঞ্জামও পৌঁছে দিয়েছে দিল্লি। এর পরেও নেপাল প্রবল কূটনৈতিক অস্বস্তি তৈরি করায় তার কারণ নিয়ে জল্পনা চলছে কূটনৈতিক মহলে।
 
আজ নেপালের তৈরি নতুন মানচিত্র নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেছেন, ‘‘নেপাল একতরফা ভাবে ইতিহাসের তথ্যপ্রমাণের পরিপন্থী এই মানচিত্র বানিয়েছে। এটা দ্বিপাক্ষিক বোঝাপড়ার বিরোধী। ভারত তা মেনে নেবে না।’’ আজ পিথোরগড়ের প্রশাসনিক কর্তা দাবি করেছেন,  কালাপানি এলাকা ভারতীয় ভূখণ্ডে মধ্যে পড়ে। নেপালের পাল্টা দাবি, এই এলাকা তাদের ধারচুলা জেলার মধ্যে। 
 
বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ভারত-নেপাল সীমান্তের তিনটি বিতর্কিত এলাকাকে নিজেদের বলে দাবি করে নেপালের মানচিত্র প্রকাশ করার ঘটনার পিছনে চিনের পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে। আজ আরও এক ধাপ এগিয়ে ভারত থেকে করোনাভাইরাস আসার অভিযোগও তুলেছেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী কে পি ওলি। সূত্রের মতে, সব মিলিয়ে তিক্ততা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, অতিমারি সামাল দেওয়ার পাশাপাশি নেপাল-কাঁটাকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে ভারতকে।
 
ওলির বক্তব্য, “যারা ভারত থেকে বেআইনি ভাবে আসছে, তারা ভাইরাস ছড়াচ্ছে। এখানকার কিছু স্থানীয় প্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতাদের ইন্ধনে ভারত থেকে ঠিক মতো পরীক্ষা ছাড়াই লোক আসছে। চিন বা ইটালির থেকেও ভারতের ভাইরাস বেশি মারাত্মক বলে মনে হচ্ছে। বাইরে থেকে আসা লোকজনের জন্যই এ দেশে সংক্রমণের মোকাবিলা করা খুব মুশকিল হয়ে পড়েছে।’’ 

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন