সোমবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন ইন্ডিয়ানা প্রদেশের পার্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের নোবেলজয়ী জাপানি গবেষক এই-ইচি নেগিশি এবং তাঁর স্ত্রী সুমিরে। মঙ্গলবার সকালে ইলিনয়ের গ্রামাঞ্চলের কাছাকাছি রাস্তা থেকে পুলিশ ৮২ বছর বয়সি ওই রসায়নবিদকে উদ্ধার করে। সেই সময়ে তিনি ওই রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলেন। কিছু ক্ষণ পরে তাঁর স্ত্রীর দেহ উদ্ধার করা হয় নেগিশির গাড়ির সামনে থেকে।

২০১০ সালে জটিল রাসায়নিক তৈরির পদ্ধতি বার করার সুবাদে আরও দুই বিজ্ঞানীর সঙ্গে রসায়নে নোবেল পেয়েছিলেন জাপানের এই নাগরিক। সেই পদ্ধতি এখন বহুল প্রচলিত, ওষুধ তৈরিতে খুবই উপযোগী। এমন গবেষকের উধাও হয়ে যাওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরে অবশ্য বাড়ি থেকে ৩২০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে উদ্ধার হয় নেগিশির গাড়ি। তিনি হাসপাতালে ভর্তি।

পুলিশের দাবি, এই ঘটনায় সন্দেহ করার মতো এখনও কিছু পায়নি তারা। ওই এলাকার কাছেই রকফোর্ড বিমানবন্দর। সস্ত্রীক রসায়নবিদের সেখানেই যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গাড়ি চালানোর সময়ে মাঝপথে কোনও ভাবে মনোযোগ হারানোয় গবেষকের গাড়ি গিয়ে পড়ে একটি গর্তে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দুর্ঘটনার পরে সুমিরে সেখানেই অপেক্ষা করছিলেন। নেগিশি সাহায্যের জন্য এগিয়ে যান। তার পরে কখন কী ভাবে সুমিরে মারা যান, বা কেউ তাঁকে মেরে ফেলেছে িক না, তা স্পষ্ট নয়।

১৯৬০ সালে মার্কিন স্কলারশিপ পেয়ে আমেরিকায় রসায়ন পড়তে এসেছিলেন নেগিশি। পার্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শুরু ১৯৭৯ সাল থেকে।