সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

ইইউ দূতকে ভাল করে চিনিই না, দাবি ট্রাম্পের

Gordon
হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে ইমপিচমেন্ট তদন্তে সাক্ষ্য দিচ্ছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নে আমেরিকার দূত গর্ডন সন্ডল্যান্ড।—ছবি এএফপি।

Advertisement

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইমপিচমেন্ট হওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে ডেমোক্র্যাটরা যে তদন্ত প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন, সেখানে বুধবার সাক্ষ্য দিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নে আমেরিকার দূত  গর্ডন সন্ডল্যান্ড। তাঁর সাক্ষ্য প্রেসিডেন্টের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তোলার জন্য যথেষ্ট, মত বিশেষজ্ঞদের।  হাউসে সেই সাক্ষ্য যখন চলছে,  তখন হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে এক সাংবাদিক বৈঠক ডেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ‘‘সন্ডল্যান্ডকে আমি ভাল করে চিনি-ই না। তাঁর সঙ্গে বিশেষ কথাও হয়নি।’’

এই সন্ডল্যান্ড সম্পর্কে ৮ অক্টোবর এক টুইটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কিন্তু লিখেছিলেন, ‘‘এক জন দারুণ মানুষ। সেরা আমেরিকান।’’ আর আজ তাঁর দাবি, ‘‘ইউক্রেন নিয়ে একবার আমাকে ফোন করেছিলেন সন্ডল্যান্ড। ব্যস, ওইটুকুই। তাঁর থেকে বেশি কিছু কথা হয়নি তাঁর সঙ্গে।’’ কী কথা হয়েছিল সে বার? ট্রাম্পের দাবি, ‘‘সন্ডল্যান্ড আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, আপনি ইউক্রেনের বিষয়ে কী করতে চান? আমি তাঁকে বলি (এখানে ঈষৎ থেমে সমবেত সাংবাদিকদের দিকে তাকিয়ে নাটকীয় ভাবে ট্রাম্প বলেন— শুনছেন তো, ভাল করে শুনুন) আমি কিছুই চাই না। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে শুধু বলুন, ঠিকঠাক পদক্ষেপ করতে। আমাদের কথাবার্তার সেখানেই ইতি হয়।’’ 

২৫ জুলাই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনে (এই ফোনের কথা ফাঁস করেছিলেন হুইসলব্লোয়ার) কথা হওয়ার পরদিনই সন্ডল্যান্ডের সঙ্গে কথা হয়েছিল ট্রাম্পের। সন্ডল্যান্ড আজ সাক্ষ্য দিতে গিয়ে বলেছেন, ‘‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সে দিন আমার পাক্কা পাঁচ মিনিট কথা হয়েছিল। কিয়েভের রেস্তরাঁয় ছিলাম আমি। আমাদের কথায় যে বাইডেন-তদন্ত উঠে আসে, এ ব্যাপারে আমার কোনও সন্দেহই নেই।’’

সন্ডল্যান্ডের দাবি, ডেমোক্র্যাট-প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেনকে বিপাকে ফেলতে ইউক্রেনের উপরে মার্কিন প্রশাসন যে চাপ তৈরি করেছিল, তার জন্য সরাসরি নির্দেশ এসেছিল ট্রাম্পের কাছ থেকেই। সন্ডল্যান্ড বলেছেন, ট্রাম্পের নির্দেশেই সব কাজ হয়েছিল। সাক্ষ্যের শুরু থেকেই ইইউ-এর মার্কিন এই দূত স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন, বাইডেনদের নিয়ে তদন্তে ইউক্রেনের উপরে চাপ তৈরির প্রক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স এবং বিদেশসচিব মাইক পম্পেয়ো আসলে এক সুতোয় বাঁধা। 

                                     সংবাদ সংস্থা

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন