উত্তর কোরিয়ার জেল থেকে মার্কিন ছাত্র অটো ওয়ার্মবিয়ারকে অর্থের বিনিময়ে ছাড়িয়ে আনার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

গত কাল দেশের এক সংবাদমাধ্যম দাবি করে, ওয়ার্মবিয়ারকে দেশে ফেরানোর আগে পিয়ংইয়্যাংকে তাঁর ‘চিকিৎসা বাবদ’ ২০ লক্ষ ডলার দিয়েছিল মার্কিন প্রশাসন। খোদ ট্রাম্পের নির্দেশেই। আজ এর জবাবে প্রেসিডেন্ট টুইট করে বললেন, ‘‘সব বাজে কথা। একটা কানাকড়িও দেওয়া হয়নি।’’ পাশাপাশি, অন্য দেশ থেকে বন্দি ফেরানোর ব্যাপারে নিজেই নিজেকে সর্বকালের সেরার তকমা দিলেন প্রেসিডেন্ট। জানালেন, গত দু’বছরের ওয়ার্মবিয়ারের মতো ২০ জনকে মারাত্মক সব পরিস্থিতি থেকে দেশে ফিরিয়েছে তাঁর প্রশাসন।

তাঁর এই দাবি এবং সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০১৬-র জানুয়ারিতে ছুটি কাটাতে উত্তর কোরিয়ায় গিয়েছিলেন বছর বাইশের তরুণ ওয়ার্মবিয়ার। সেখানকার এক হোটেল থেকে সরকারি প্রচারমূলক পোস্টার চুরির দায়ে সে বছরই তাঁকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয় পিয়ংইয়্যাং। কিমের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রেরও অভিযোগ আনা হয় মার্কিন ছাত্রের 

বিরুদ্ধে। এর দেড় বছর পরে ওয়ার্মবিয়ারকে ‘মানবিক’ কারণে ছেড়ে দেয় কিমের দেশ। এ দিকে জানা যায়, জেলে যাওয়ার পর-পরই কোমায় চলে যান মার্কিন ছাত্র। পরে দেশে ফিরে মারাও যান। জেলের মধ্যে তাঁকে তিলে তিলে মেরে ফেলার জন্য অভিযোগে গত বছরই উত্তর কোরিয়াকে ৫০ কোটি ডলারেরও বেশি জরিমানা করেছে আমেরিকার এক ফেডারেল কোর্ট।