টেক্সাসের এল পাসোর ওয়ালমার্ট বিপণিতে বন্দুকবাজের হামলায় আরও দু’জনের মৃত্যু হয়েছে সোমবার। যার ফলে ওই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২২। 

শনিবারের এই হামলার ঘটনায় পরোক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই দায়ী করেছেন অনেকে। কেউ কেউ সরাসরি কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছেন তাঁর দিকে। এর জবাব দিয়েছেন ট্রাম্পও। বলেন, ‘বিদ্বেষীদের’ আমেরিকায় কোনও জায়গা নেই। অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের আশ্বাসও দেন তিনি। যদিও তাতে বিতর্কে ইতি পড়েনি। এর মধ্যেই বুধবার এল পাসোতে ট্রাম্পের আসার খবর দিলেন অঞ্চলের মেয়র ডি মার্গো। যদিও হোয়াইট হাউসের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি। এই হামলার ফলে প্রেসিডেন্টকে ঘিরে ‘রাজনৈতিক বিতর্ক’ অন্য মাত্রায় পৌঁছেছে। এই ধরনের হামলার জন্য ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি এবং প্রশাসনিক ‘অদক্ষতার’ দিকেই আঙুল তুলেছেন ডেমোক্র্যাটরা। দায়ী করা হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের বন্দুক নীতিকেও। এল পাসোতে প্রেসিডেন্টের আসার খবর শুনে ফের তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। ট্রাম্পের আসার বিরোধিতা করে খোলা চিঠি জারি করা হয়েছে তাঁদের তরফে। 

তদন্তকারীরা এ দিন জানান, যত বেশি সম্ভব মেক্সিকানদের মারার পরিকল্পনা ছিল বলে স্বীকার করেছে ধৃত বন্দুকবাজ প্যাট্রিক ক্রুসিয়াস।