ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা হুয়ান গুয়াইদোকে অন্তর্বর্তিকালীন শাসক হিসেবে আজ স্বীকৃতি দিল স্পেন, ব্রিটেন এবং ফ্রান্স-সহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) বেশ কয়েকটি দেশ। এই ঘটনায় প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ‘বন্ধু’ রাষ্ট্র রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া, তেল-সমৃদ্ধ লাতিন আমেরিকার দরিদ্র দেশটিতে ইউরোপ ‘নাক গলাচ্ছে’। যারা ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করছে, তাদেরই বৈধতা দিচ্ছে ইউরোপ। 

আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং লাতিন আমেরিকার বেশ কিছু দেশ আগেই গুয়াইদোর পাশে দাঁড়িয়েছে। সমাজবাদী নেতা মাদুরোকে হটিয়ে গুয়াইদো চাইছেন, তিনি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করবেন। ফের নির্বাচনও করতে চাইছেন তিনি।

স্পেনের সরকার গুয়াইদোকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরে দেশের প্রধানমন্ত্রী পেড্রো সাঞ্চেজ় ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি-র প্রধানকে অনুরোধ করেছেন, দ্রুত নির্বাচনের পথে হাঁটতে। তবে নির্বাচন হোক অবাধ এবং স্বচ্ছ। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাকরঁ-এর টুইট, ‘‘ভেনেজুয়েলার নাগরিকদের গণতান্ত্রিক ভাবে স্বাধীন মতামত জানানোর অধিকার আছে।’’ 

প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করানোর জন্য ইইউয়ের সাতটি দেশ মাদুরোকে রবিবার রাত পর্যন্ত সময় দিয়েছিল। তা না হলে তারা গুয়াইদোকেই স্বীকৃতি দেবে বলে জানিয়েছিল। সে সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেই বিরোধী নেতাকে ইইউয়ের দেশগুলি স্বীকৃতি দিয়েছে। 

মাদুরো এখনও বলে যাচ্ছেন, চাপের মুখে তিনি নতিস্বীকার করবেন না। কারাকাস থেকে তাঁর মন্তব্য, ‘‘যে দেশের নির্বাচন হয়ে গিয়েছে, সেখানে আবার কেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে? আর ইইউ-কে বা সেটা গোটা বিশ্বকে জানাতে হবে কেন? কারণ ওদের দক্ষিণপন্থী বন্ধুরা ভোটে জেতেননি। তাই চূড়ান্ত সময় নির্ধারণ করে আমাদের ভয় পাওয়াতে চাইছে।’’