প্রয়াত নোয়াখালির গাঁধী আশ্রমের কর্ণধার ঝর্নাধারা চৌধুরী।

বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত ৮০ বছরের এই সমাজসেবীকে মঙ্গলবার নোয়াখালি থেকে ঢাকায় এনে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার রাতে মস্তিষ্কে দ্বিতীয় দফায় রক্তক্ষরণের পরে বৃহস্পতিবার ভোরে তিনি মারা যান।

২০১৩-য় প্রথম বাংলাদেশি হিসাবে ভারত সরকারের পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন তিনি। ২০১৫-য় পান একুশে সম্মান। ১৯৬০ সালে চট্টগ্রামের প্রবর্তক সঙ্ঘের শিক্ষিকা ও অনাথালয়ের তত্ত্বাবধায়ক হিসাবে কাজ শুরু করেন ঝর্নাধারা। ১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধের সময়ে এই সঙ্ঘের প্রায় ৫০০ শিশু ও কিশোরীকে পাকিস্তানি সেনাদের হাত থেকে বাঁচিয়ে তিনি আগরতলা নিয়ে যান। সেখানে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের ত্রাণ ও সেবায় নিয়োজিত হন। ১৯৫৬-এ তিনি নোয়াখালির গাঁধী আশ্রমে যুক্ত হন। গাঁধীর সহচর চারু চৌধুরী ১৯৯০-এ প্রয়াত হওয়ার পরে গাঁধী আশ্রমের ট্রাস্টি বোর্ডের সচিব নিযুক্ত হন ঝর্নাধারা। আমৃত্যু সে কাজে ব্রতী ছিলেন অবিবাহিত ঝর্নাধারা। মরণোত্তর দেহদানও করেছেন তিনি।

এবার শুধু খবর পড়া নয়খবর দেখাও। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের YouTube Channel - এ।