অনেক বছর পরিশ্রমের পর মিচিগানের ফেরিস স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে ডিপ্লোমা ডিগ্রি পেয়েছেন শারোন্দা উইলসন। তাঁর ছেলে স্টেফানও এ বছর স্নাতক হয়েছেন সেন্ট্রাল মিচিগান ইউনিভার্সিটি থেকে। কিন্তু এই দু’টি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েশনের সমাবর্তন ছিল একই দিনে। তাই শারোন্দা ঠিক করেছিলেন নিজের গ্র্যাজুয়েশনের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যাবেন না। উপস্থিত থাকবেন ছেলের সমাবর্তনে।

অনুষ্ঠানের আগেরদিন এই ঘটনা লিখে তিনি পোস্ট করেছিলেন ফেসবুকে। গ্র্যাজুয়েশনের সমাবর্তনে উপস্থিত না থাকা নিয়ে শারোন্দার সেই ফেসবুক পোস্ট দেখেছিলেন তাঁর ছেলের এক বন্ধু। সে এই ঘটনার কথা সেন্ট্রাল মিচিগান ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট বব ডেভিসকে জানিয়েছিলেন।

ছাত্রের কাছে তাঁর বন্ধুর মায়ের ব্যাপারে এই কথাশুনে ডেভিস যোগাযোগ করেন ফেরিস স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ডেভিড এসলারের সঙ্গে। তারপর তাঁরা দু’জন মিলে শারোন্দাকে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে চমকে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। তাঁরা ঠিক করেন সেন্ট্রাল মিচিগান ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনেই বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শারোন্দার হাতে তুলে দেওয়া হবে ফেরিস স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিপ্লোমার সার্টিফিকেট।

সেই মতো ছেলে স্টেফানের হাতে মানপত্র তুলে দেওয়ার পরেই ডাকা হয় শারোন্দার নাম। ছেলের গ্র্যাজুয়েশনে এসে নিজের নাম শুনে স্বভাবতই চমকে যান শারোন্দি। তারপর যখন তাঁর হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে মানপত্র তুলে দেওয়া হয়, তখন তো তিনি আনন্দে আত্মহারা।

মা-ছেলের এই গ্র্যাজুয়েশনের সার্টিফিকেট পাওয়ার ভিডিয়ো নিজেদের ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করেছে সেন্ট্রাল মিচিগান ইউনিভার্সিটি। তারপরই ভাইরাল হয়েছে সেটি। দেখুন মা-ছেলের গ্র্যাজুয়েশনের সার্টিফিকেট পাওয়ার সেই ভিডিয়ো- 

 

আরও পড়ুন: বিয়ের ৬ দিন পর শ্রীলঙ্কায় হানিমুন করতে এসে মারা গেলেন ব্রিটেনের মহিলা