সাংহাই শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠকে বসতে পারেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি চিনফিং এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারেন দুই রাষ্ট্রনেতা। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দ্বিতীয় বার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর এটাই হতে পারে চিনফিংয়ের সঙ্গে মোদীর প্রথম সাক্ষাৎ।

চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র লু কাং আজ জানিয়েছেন, সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে কিরঘিজস্তান যাবেন চিনফিং। আগামী ১২ জুন থেকে ১৬ জুন কিরঘিজস্তান ও তাজাকিস্তান সফর করবেন তিনি। কিরঘিজস্তানের বিশকেক-এ আগামী ১৩ ও ১৪ জুন এসসিও সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। চিনে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বিক্রম মিসরি গত সপ্তাহে জানিয়েছেন, মোদী এবং চিনফিং ওই সম্মেলনের ফাঁকে সাক্ষাৎ করবেন। গত বছরের উহানে দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকে যথেষ্টই সফল হয়েছিল। ওই বৈঠকের কথা উল্লেখ করে মিসরি বলেন, ‘‘বিভিন্ন বহুপাক্ষিক সম্মেলনে গত বছর দুই নেতা চার বার মিলিত হয়েছিলেন।’’ এ বার বিশকেক-এ আবার মোদী-চিনফিং বৈঠক করবেন বলে জানান তিনি।

ভারতের উপর থেকে ‘জেনারেইলাজড ট্রেডিং প্রেফারেন্স’-এর সুবিধা প্রত্যাহার করেছে আমেরিকা। যা মোদীর সরকারের কাছে নিঃসন্দেহে দুঃসংবাদ। বেজিংয়ের উপর আরও চাপ বাড়াতে আমেরিকা ২০,০০০ কোটি ডলার চিনা পণ্যের উপর শুল্ক বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করেছে। ফলে বাড়ছে শুল্ক-যুদ্ধের উত্তাপ। এই পরিস্থিতিতে মোদী-চিনফিং বৈঠককে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেছে দু’দেশের বিদেশ মন্ত্রক। সাউথ ব্লক সূত্রের খবর, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নিয়ে যেমন আলোচনা হবে, তেমনই দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকে শুল্ক-যুদ্ধের প্রসঙ্গও উঠে আসবে।

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও।সাবস্ক্রাইব করুনআমাদেরYouTube Channel - এ।