কাছের বন্ধুর পাশে ফের দাঁড়াল আমেরিকা। রাশিয়ায় ব্রিটেনের হয়ে কাজ করা প্রাক্তন চর সের্গেই স্ক্রিপাল এবং তাঁর মেয়েকে রুশ নার্ভ এজেন্ট ‘নোভিচক’ দিয়ে মারার চক্রান্তের ঘটনায় সরাসরি রাশিয়ার হাত রয়েছে বলে আগেই সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে। এ বার তাতে সায় দিল আমেরিকা এবং ফ্রান্সও।

গত কাল এই বিতর্কের জেরে ব্রিটেন থেকে ২৩ জন রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টেরেসা। এ দিন হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব সারা স্যান্ডার্স বলেছেন, ‘‘আমেরিকা তার সব চেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুর পাশে রয়েছে। এই ষড়যন্ত্রের পিছনে রাশিয়া রয়েছে— ব্রিটেনের এই মতে আমাদেরও সমর্থন রয়েছে। কূটনীতিক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঠিক বলেই আমরা মনে করছি।’’

মুখ খুলেছেন রাষ্ট্রপুঞ্জে আমেরিকার দূত নিকি হ্যালিও। রুশ সরকার আন্তর্জাতিক নীতি লঙ্ঘন করেছে বলে রাষ্ট্রপুঞ্জে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। ব্রিটেনের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এ ধরনের পদক্ষেপে দ্রুত রাশ না টানলে ব্রিটেনের স্যালিসবেরিতেই (এখানেই স্ক্রিপাল ও তাঁর মেয়েকে নার্ভ এজেন্ট দেওয়া হয় বলে অভিযোগ) এই ঘটনা থেমে যাবে না। আমেরিকার যে কোনও শহরে এমনটা ঘটনা ঘটতে পারে।’’ ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাঁকরও ব্রিটেনের অবস্থানে এ দিন সমর্থন জানিয়েছেন।

রাশিয়া অবশ্য সব অভিযোগই উড়িয়ে দিচ্ছে। নিরাপত্তা পরিষদে মস্কোর দূত ভ্যাসিলি নেবেঞ্জিয়ার পাল্টা দাবি, ব্রিটেনই এই কাণ্ড ঘটিয়ে রাশিয়াকে ফাঁসাতে চাইছে।