সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ইনিংস শুরু করেছিলেন ইমরান খান। কাশ্মীর সমস্যার সমাধান প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘‘ভারত এক কদম এগোলে, আমরা এগোব দু’কদম।’’ বৃহস্পতিবার প্রতিরক্ষা দিবসের মঞ্চে পাক সেনাপ্রধান জাভেদ বাজওয়া কিন্তু হাঁটলেন উল্টো পথে! ভারতের নাম না করেই হুঁশিয়ারি দিলেন— সীমান্তে রক্ত ঝরলে বদলা নেবে সেনা।

রাওয়ালপিন্ডিতে সেনার সদর দফতরে বাহিনীকে কুর্নিশ জানাতে গিয়ে বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ‘‘একটা সচেতন দেশ কখনও শহিদের আত্মত্যাগ ভোলে না। প্রয়োজনে বদলা নেয়। এখনও রক্ত ঝরছে সীমান্তে। দু’বছর ধরে সীমান্ত পরিস্থিতির জেরে কঠিন সময়ের মধ্যে রয়েছি আমরা। এটা চলতে পারে না।’’ ১৯৬৫-র ভারত-পাক যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, পাক সেনার সেই লড়াই আজও অনুপ্রেরণা দেয়।

ইমরানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে এই বাজওয়াকে আলিঙ্গন করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন নভজ্যোৎ সিংহ সিধু। পাক সেনাপ্রধানের এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি মুখ খোলেননি।

বাজওয়ার এমন মন্তব্যকে উস্কানিমূলক বলেই মনে করছে দিল্লির একাংশ। ইমরান ক্ষমতায় আসার পরে যা কি না প্রথম। তবে অন্য অংশ বলছে, সেনার অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধানের এমন মন্তব্য অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে ইমরান ও বাজওয়া যে ভাবে খুঁচিয়ে কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুললেন, তাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন অনেকে। উপত্যকায় ‘ভারতীয় নৃশংসতা’র কথা বলে এ দিন ফের রাষ্ট্রপুঞ্জ ও বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলির হস্তক্ষেপ দাবি করেন পাক প্রধানমন্ত্রী। আর বাজওয়া
স্পষ্ট জানান, ‘স্বাধীনতার লড়াইয়ে’ কাশ্মীরের পাশেই ইসলামাবাদ। তাঁর কথায়, ‘‘ভারত অধিকৃত কাশ্মীরে যাঁরা
বুক চিতিয়ে লড়ছেন, তাঁদের কুর্নিশ।’’