বৃদ্ধির হারে বিদ্যুৎ গতি। সম্ভাবনাময় বাজার।

আর লগ্নিবান্ধব সরকারি নীতি। মূলত এই তিনটি কারণে ভারতীয় শিল্পপতিদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে আমন্ত্রণ জানালেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আগামিকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকের ২৪ ঘণ্টা আগে এ দিন তিন ভারতীয় বণিকসভার (সিআইআই, ফিকি এবং অ্যাসোচ্যাম) প্রতিনিধিদের সামনে লগ্নির লোভনীয় গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন হাসিনা। ছিলেন বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধিরাও। সেখানে পড়শি মুলুকের প্রধানমন্ত্রীর দাবি, গত দশ বছরে বাংলাদেশের আর্থিক বৃদ্ধির গড় হার ৭%। গত অর্থবর্ষে তা ছিল ৮.১%। এ বারে তা পৌঁছতে পারে ৮.৩ শতাংশে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে। ২০০৬ সাল থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে মাথাপিছু গড় আয় বেড়েছে সাড়ে তিন গুণ। সঙ্গে রয়েছে ১৬ কোটি মানুষের বাজার। যাঁদের ক্রয় ক্ষমতা আগের তুলনায় বেড়েছে অনেকটা। লগ্নির এমন ক্ষেত্র ভারতীয় শিল্পের পক্ষে লাভজনক হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

লগ্নির জন্য শিল্প যে ঝামেলাহীন পরিবেশ ও সুষ্ঠু, বিনিয়োগবান্ধব নীতি চায়, তা জানেন হাসিনা। সে কারণে তিনি বলেছেন, তাঁর সরকার সন্ত্রাসবাদ এবং দুর্নীতিকে সামান্যতম রেয়াত করবে না। বলেছেন, ১০০টি বিশেষ আর্থিক অঞ্চল (এসইজেড) গড়ায় জোর দিচ্ছেন তাঁরা। প্রশস্ত করছেন বিদেশি বিনিয়োগের দরজা। সব মিলিয়ে, এই ‘সোনার বাংলায়’ বিনিয়োগের সুযোগ হাতছাড়া না-করতে ভারতীয় শিল্পপতিদের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।