সিনসিনাটির চিড়িয়াখানায় বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির গোরিলাকে হত্যার ঘটনায় এখন উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। সত্যিই কি চার বছরের শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য গুলি চালানোর প্রয়োজন ছিল? এই প্রশ্নের মুখেই এখন চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই প্রশ্নকে ঘিরে শুরু হয়ে গিয়েছে বিতর্ক।

প্রথমে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের দাবি ছিল, শিশুটিকে ধরে গোরিলাটি টানাটানি করার পর হিংস্র ভাবে ছুড়ে মারে। কিন্তু, সেই সময় খাঁচার বাইরে থাকা দর্শকদের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সম্পূর্ণ অন্য দৃশ্য। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, প্রথমে শিশুটিকে রক্ষার চেষ্টা করে গোরিলা। এই অবস্থায় সাধারণত ট্রাঙ্কুলাইজার দিয়ে পশুটিকে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু, এ ক্ষেত্রে কেন একেবারে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল? চিড়িয়াখানার ডিরেক্টর থানে মেনার্ড জানিয়েছেন, যদি তখনই গুলি করা না হত তা হলে গোরিলাটি শিশুটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ত। ঘুম পাড়াতে কয়েক মিনিট সময় লাগে। সেই সময়ের মধ্যে যে কোনও কিছু ঘটে যেতে পারত। হয়তো শিশুটির সেই সময় বড় কোনও বিপদ নাও হতে পারত, কিন্তু আমরা কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইনি। যদিও এই উত্তরে বিশেষ সন্তুষ্ট নয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

বিরল হারাম্বে প্রজাতির গোরিলার মৃত্যুতে আপাতত শোকের ছায়া চিড়িয়াখানাতেও। ঘানা, কঙ্গো ও ক্যামেরুনে এই বিরল প্রজাতির গোরিলার দেখা মেলে।
 

আরও পড়ুন

খাঁচায় পড়ল শিশু, গুলি গোরিলাকে