আমেরিকায় থাকেন কেভিন হোয়ার্ড। ১২ বছর আগে স্ত্রী ডিভোর্স দিয়েছিলেন তাঁকে। কেভিন এক সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘আমার স্ত্রী বিবাহবিচ্ছেদ চেয়েছিলেন, কারণ আমি নাকি তাঁকে যথেষ্ট সময় দিতে পারতাম না। কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকতাম।’’ এর পর থেকেই জীবনে একা হয়ে গিয়েছিলেন কেভিন। কিন্তু সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন স্ত্রী তাঁকে ঠকিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের আগেই এক সহকর্মীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাঁর। তিনি কেভিনের বাড়িতেও আসতেন।

এর পর বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন কেভিন। তাঁর বিয়ে ভেস্তে যাওয়ার জন্য দায়ী করেন স্ত্রীর প্রেমিককে। নর্থ ক্যারোলিনার বিচারক কেভিনের সেই দাবিতে সিলমোহর দেন। বৃহস্পতিবার কেভিনকে সাড়ে সাত লক্ষ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেন। ভারতীয় মুদ্রায় সেই অঙ্ক প্রায় পাঁচ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা।

এই ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ‘অ্যালিয়েশন অফ অ্যাফেকশন’ আইনের ভিত্তিতে। ১৮০০ শতাব্দীর এই আইন অনুসারে স্ত্রী স্বামীর সম্পত্তি হিসাবে গণ্য হত। আমেরিকার পাঁচটি স্টেটে এই আইন এখনও বহাল আছে। সেই আইন অনুসারে, বিবাহবিচ্ছেদের জন্য তৃতীয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যায়। সেখানকার এক স্থানীয় সংবাদপত্রের তথ্য অনুসারে, নর্থ ক্যারোলিনাতে প্রতি বছর প্রায় ২০০টি এই ধরনের মামলা রুজু হয়। 

আরও পড়ুন: এই সেতুকে শয়তানের ব্রিজ কেন বলা হয় জানেন? 

আরও পড়ুন: হাসিনার নির্দেশে তল্লাশি, জুয়া চক্রে গ্রেফতার বহু নেতা