আফগানিস্তানে শান্তি ফেরাতে দিন কয়েক আগেই পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সাহায্য চেয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন নৌসেনার এক শীর্ষ কম্যান্ডার কিন্তু এই প্রসঙ্গে কাল সরাসরি বিঁধলেন পাকিস্তানকেই। লেফটেন্যান্ট জেনারেল কেনেথ ম্যাকেঞ্জি জুনিয়রের অভিযোগ, ‘‘পাকিস্তান এগিয়ে এলে তো ভালই। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আশার আলো কিছু দেখছি না। বরং ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বজায় রাখতে তালিবানকে ঢাল করে রেখেছে নয়া সরকারও।’’

ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের অভিযোগ— সন্ত্রাস দমনে পাকিস্তান কিছুই করছে না। ট্রাম্পকে বহু বার এ নিয়ে সুর চড়াতে শোনা গিয়েছে। সম্প্রতি দু’দফায় ইসলামাবাদের বরাদ্দও ছেঁটেছে তাঁর প্রশাসন। তবু এর পরেও ট্রাম্প আফগানিস্তানে শান্তি ফেরাতে পাকিস্তানি সাহায্য চেয়ে চিঠি লিখেছিলেন। তাঁর মতে, তালিবানকে সংযত করতে পারে শুধু পাকিস্তানই। আফগান প্রশাসনের সঙ্গে জঙ্গিদের এক টেবিলে বসাতে পারলে পরিস্থিতিই বদলে যাবে।

যদিও ম্যাকেঞ্জি দাবি করেছেন, তেমন কোনও উদ্যোগই নিচ্ছে না পাকিস্তান। উল্টে ক্রমাগত জঙ্গিদের ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে চলেছে তারা। গত কালই সরকারি ভাবে কম্যান্ডারের দায়িত্ব নিয়ে সেনেটের আর্মড সার্ভিস কমিটিকে তিনি বলেন, ‘‘গোটা দুনিয়া চাইছে, কিন্তু সন্ত্রাস দমনে পাকিস্তানের কোনও হেলদোল নেই। আফগানিস্তানে ইচ্ছে করেই পাক সরকার মধ্যস্থতা করছে না।’’

তা হলে কি ট্রাম্পের আর্জি মাঠেই মারা গেল? এ নিয়ে তেমন আশাবাদী না হলেও সেনা-কর্তা বলেন, ‘‘প্রেসিডেন্টের চিঠিতে আদৌ কাজ হবে কি না, সেটা সময়ই বলবে। তবে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি ইসলামাবাদের সঙ্গে। যৌথ স্বার্থে আফগান প্রশাসনের সঙ্গে তালিবানদের বৈঠকে বসানোটা জরুরি। আর পাকিস্তানই সেটা সবচেয়ে ভাল পারবে।’’