• সংবাদ সংস্থা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

শ্রীলঙ্কার সেনাপ্রধান নিষিদ্ধ আমেরিকায়

army chief
সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল শাভেন্দ্র সিলভা।

তাঁর বিরুদ্ধে বহু বছর ধরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে এসেছে রাষ্ট্রপুঞ্জ। শ্রীলঙ্কার সেই সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল শাভেন্দ্র সিলভার আমেরিকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করল মার্কিন প্রশাসন। গত কাল মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেয়ো এ কথা জানিয়েছেন। শুধু সেনাপ্রধান একা নন, কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে তাঁর গোটা পরিবারকে। পম্পেয়োর বক্তব্য, ‘‘সিলভার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপুঞ্জ ও অন্য বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংগঠন বহু বছর ধরে একাধিক ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে। সেগুলি সবই বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করে আমেরিকা।’’

২০০৯ সাল। শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধের প্রায় শেষ সময়। তামিল টাইগারদের বিরুদ্ধে নির্মম অত্যাচারের সাক্ষী ছিল শ্রীলঙ্কা। প্রায় ৪০ হাজার তামিল বিদ্রোহীদের হত্যা করা হয়েছিল তখন। সিলভা ছিলেন দেশের উত্তরাংশের এক যুদ্ধক্ষেত্রের কমান্ডিং অফিসার। তাঁর নির্দেশেই নির্বিচারে তামিলদের হত্যা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। তার আগের চার দশক ধরে তামিল টাইগাররা শ্রীলঙ্কা জুড়ে যে ধারাবাহিক হামলা ও হিংসার রাজত্ব চালিয়েছিল, ২০০৯ সালের পরে তা কার্যত বন্ধ হয়। কিন্তু সিলভার বিরুদ্ধে সেই সময়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল, পরবর্তী কালে দেশের কোনও সরকারই তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে চায়নি।

পম্পেয়ো জানিয়েছেন, সন্ত্রাস দমনে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ রেখে লড়তে আগ্রহী আমেরিকা। কিন্তু সিলভা ও তাঁর পরিবারকে কোনও ভাবেই আমেরিকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না। পম্পেয়োর সংযোজন, ‘‘শ্রীলঙ্কা সরকারের সঙ্গে আমেরিকার দীর্ঘ গণতান্ত্রিক সম্পর্ককে ওয়াশিংটন পূর্ণ মর্যাদা দেয়। তবে আমরা চাইব মানবাধিকারকে গুরুত্ব দিক শ্রীলঙ্কা সরকার। ব্যবস্থা নিক তাঁদের বিরুদ্ধে, যাঁরা যুদ্ধাপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো অপরাধে অভিযুক্ত।’’

অন্য দিকে, যুদ্ধবিমান কেনার সময়ে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে প্রাক্তন এক রাষ্ট্রদূতকে গ্রেফতার করেছে শ্রীলঙ্কা সরকার। উদয়ঙ্গ বীরাতুঙ্গা নামে ওই প্রাক্তন দূত দেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের পরিবারের খুবই ঘনিষ্ঠ। ২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কা সেনা তামিল টাইগারদের বিরুদ্ধে লড়তে মিগ যুদ্ধবিমান কিনেছিল। সেই সময়ে রাজাপক্ষে ছিলেন দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সচিব এবং বীরাতুঙ্গা ছিলেন রাশিয়ায় নিযুক্ত শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূত। মিগ কেনার ক্ষেত্রে তিনি আর্থিক গরমিল করেছিলেন বলে অভিযোগ।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন