রবিবারের বিকেল। স্যালিসবেরির এক শপিং সেন্টারের কাছে বেঞ্চটি। তাতে দু’জনকে অদ্ভুত অবস্থায় দেখেছিলেন ফ্রিয়া চার্চ। তাঁর কথায়, “বেঞ্চে বসে ছিলেন দু’জনে। এক জন বৃদ্ধ ও অপর জন তরুণী। মনে হয়েছিল, ওঁরা খুব কড়া কিছু নিয়েছেন। তরুণীটি এমন ভাবে বৃদ্ধের কাঁধে গা এলিয়ে ছিলেন, মনে হচ্ছিল যেন মারা গিয়েছেন। বৃদ্ধটি আকাশের দিকে তাকিয়ে অদ্ভুত ভাবে হাত নাড়ছিলেন।’’ দু’জনকে দেখতে এতটাই অস্বাভাবিক লাগছিল যে কাছে গিয়েও তাঁদের কী ভাবে সাহায্য করবেন, বুঝতে না পেরে চলে আসেন ফ্রিয়া। পরে জানতে পারেন বৃদ্ধের নাম সের্গেই স্ক্রিপাল। প্রাক্তন চর। অপর জন তাঁর মেয়ে।

জ্ঞান হারানোর আগে হাত তুলে কী বলতে চেয়েছিলেন স্ক্রিপাল? এখন বলার অবস্থায় নেই তিনি। পাশের একটি জিমের সিসিটিভি ফুটেজ পেয়েছে পুলিশ। সেটিই খুঁটিয়ে দেখে বোঝার চেষ্টা হচ্ছে, হাত তুলে ঠিক কী বলতে চাইছিলেন স্ক্রিপাল।

ব্রিটেনে প্রথম ছ’বছর স্ক্রিপাল কেমন ছিলেন, তা স্পষ্ট নয়। তবে তার পরের দু’টি বছরে আঘাত এসেছে পরপর। মারা গিয়েছেন স্ত্রী, ছেলে ও দাদা। স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, স্ক্রিপালের মুখে প্রাণসংশয়ের কথা শোনা যাচ্ছিল সম্প্রতি। তাঁর সঙ্গেই রাশিয়া থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডনে রয়েছেন ইগর সুতিয়াগিন। ভয় পাচ্ছেন কি তিনিও? ইগরের নিরুত্তাপ জবাব, ‘‘আমি ঠিক আছি।’