কোলে দশ মাসের একটি শিশু। গির্জায় ঢুকে বন্দুক উঁচিয়ে ভয় দেখাতে শুরু করেছিলেন এক তরুণী— ‘‘গির্জা উড়িয়ে দেব।’’ রবিবার শ্রীলঙ্কার গির্জায় বিস্ফোরণের খবর তত ক্ষণে ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে সান দিয়েগোর ওই গির্জাতেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে নিমেষে। কোনও মতে ৩১ বছরের ওই তরুণীকে ধরে ফেলে আশপাশের লোকজন। 

দশ মাসের শিশুটি ছাড়াও তরুণীর সঙ্গে তাঁর পাঁচ বছরের কন্যাসন্তান ছিল। সকলকেই হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। জানিয়েছে, তরুণীর হাতের বন্দুকটিতে কোনও গুলি ছিল না। পুলিশ কুকুর নিয়ে তল্লাশি চালানো হলেও কোনও বিস্ফোরক মেলেনি গির্জা বা আশপাশের এলাকায়। সান দিয়েগো পুলিশ পরে একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ‘‘অপরাধমূলক কাজের জন্য ওঁকে জেলে ঢোকানো হয়েছে। আতঙ্ক ছড়ানো ও বন্দুক বের করার অপরাধে ওঁর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ইস্টার রবিবারের প্রার্থনা তখন সবে শেষ হয়েছে। হঠাৎই হনহনিয়ে গির্জার বিশেষ মঞ্চে উঠে যান তরুণী। তার পরই গির্জা উড়িয়ে দেবেন বলে ভয় দেখাতে থাকেন। গির্জায় উপস্থিত লোকজন সঙ্গে সঙ্গে তরুণীর দিকে এগিয়ে যান। মহিলা চিৎকার করতে থাকেন, এগোলে গুলি চালিয়ে দেবেন। কোলের শিশুটির দিকেও বন্দুক তাক করেন। পুলিশ জানিয়েছে, সেই সময়ে ভয় না পেয়ে উপস্থিত লোকজন মেয়েটিকে নিরস্ত করেন। হাত থেকে বন্দুক ছিনিয়ে নেন। খবর চলে গিয়েছিল পুলিশের কাছে। এমনিতেই শ্রীলঙ্কার গির্জায় বিস্ফোরণের জেরে প্রচুর পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছিল ইস্টারে। দ্রুত তারা ওই গির্জায় চলে আসে।