Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ই-পেপার

টুকরো খবর

২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০১:৪৯

এনসেফ্যালাইটিসে আক্রান্ত প্রৌঢ়ার মৃত্যু
নিজস্ব সংবাদদাতা • শিলিগুড়ি

এনসেফ্যালাইটিসে আক্রান্ত হয়ে এক রোগিণীর মৃত্যু হল শিলিগুড়িতে। বুধবার সকালে তাঁর মৃতু হয় সেবক রোডের একটি নার্সিংহোমে। অথচ জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কাছে এ ব্যাপারে কোনও তথ্য নেই। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম মনীষা লাহিড়ি (২৩)। বাড়ি বেলাকোবা হলেও তাঁরা শিলিগুড়ির রবীন্দ্রনগর এলাকায় ভাড়া থাকতেন। দিন ১৭ আগে খিঁচুনি জ্বর নিয়ে তাঁকে প্রধাননগরের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করানো হয়। সেখানে ৩ দিন চিকিৎসার পর ডাক্তার কিছু বলতে পারছেন না দেখে সেবক রোডের অপর একটি নার্সিংহোমে তাঁকে ভর্তি করানো হয়েছিল। সেখানে ১৩ দিন ভর্তি থাকার পর বুধবার সকালে তিনি মারা যান। রক্ত পরীক্ষার রিপোর্টে থেকে জানা গিয়েছে তিনি অ্যাকিউট এনসেফ্যালাইটিস সিনড্রোমে আক্রান্ত ছিলেন। মহিলার স্বামী প্রীতমবাবু জানান, নাসির্ংহোম থেকে মৃত্যুর কারণ এইএস বলেই জানানো হয়েছে। তাঁদের এক বছরের ছেলে রয়েছে। প্রীতমবাবু জানান, ছেলের এক বছর হওয়ায় দার্জিলিঙে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে ফিরেই স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ল। এর পরেই নার্সিংহোমে ভর্তি করানো হয়। নার্সিংহোমগুলির একাংশে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। গত জানুয়ারি থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এনসেফ্যালাইটিসে আক্রান্ত হয়ে ১৬০ জন মারা গিয়েছেন। জাপানি এনসেফ্যালাইটিসে মারা গিয়েছেন ৩৬ জন।

Advertisement

খিচুড়ি খেয়ে অসুস্থ
নিজস্ব সংবাদদাতা • এগরা

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের খিচুড়ি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ল জনা চল্লিশেক পড়ুয়া। পটাশপুর ১ ব্লকের টেপরপাড়া দক্ষিণ ৪২ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের বৃহস্পতিবার সকালের ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে খবর, এ দিন সকাল ন’টা নাগাদ ওই কেন্দ্রের কিছু পড়ুয়া হঠাৎই বমি করতে শুরু করে। পরে স্থানীয়েরাই উদ্যোগী হয়ে শিশুদের গোনাড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার পরে তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। টেপরপাড়ার বাসিন্দা তথা অভিভাবক হিমাংশু গিরি জানান, খিচুড়ি খেয়েই তাঁর মেয়ে অসুস্থ হয়েছে। ওই কেন্দ্রের শিক্ষিকা অঞ্জনা দাস শিশুদের অসুস্থতার কথা মেনেছেন। স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান তৃণমূলের প্রভুরাম দাস বলেন, “সম্ভাবত টিকটিকি থেকে খিচুরিতে বিষক্রিয়া হয়েছে।” ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক দেবাজ্ঞন মান্না বলেন, “কারও অসুস্থতাই গুরুতর নয়।” বিডিও বুলবুল বাগচি জানান, এলাকায় মেডিক্যাল টিম গিয়েছে।

নলকূপের জল খেয়ে অসুস্থ ১৪৪ ছাত্রছাত্রী

টিফিনের সময় নলকূপের জল খেয়ে ১৪৪ জন পড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়ায় বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে বলাগড়ের একতারপুরে। পুলিশ ও স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, একতারপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই ছাত্রছাত্রীরা এদিন দুপুরে টিফিনের সময় স্কুলের পাশে নলকূপের জল খায়। জল খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই কয়েকজন পড়ুয়া বমি করতে শুরু করে। পরে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গেই অনন্ত তিরিশজনকে জিরাটের আহমেদপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণে রাখার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ছুটির পরে বাড়িতে গিয়ে আরও বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাদেরও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। দেখা যায় অন্তত ১৪৪ জন পড়ুয়া অসুস্থ। পুলিশ গিয়ে নলকূপটি সিল করে দেয়। সেই সঙ্গে নলকূপের জল এবং স্কুলের ট্যাঙ্কের জলের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্তকারী এক পুলিশ অফিসার জানান, জলের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলেও বিষয়টি পরিষ্কার হবে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুব্রত সরকার বলেন, ‘‘ হঠাৎ এতজন পড়ুয়া কী ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ল বুঝতে পারছি না। তবে নলকূপটি সিল করে দেওয়া হয়েছে।”



Tags:

আরও পড়ুন

More from My Kolkata
Advertisement