বাইরে কোথাও বেরোবেন, গাড়িতে উঠেই ব্যাগ হাতড়ে যদি ইয়ারফোনটি না মেলে, তা হলে মুশকিল! না হলে গোটা রাস্তাটা গান শুনতে শুনতে যাবেন কী ভাবে? সঙ্গীর সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফোনে কথা বলছেন, সেখানেও ব্যবহার করছেন ইয়ারফোন। আবার রাতের বেলা বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়লে শুয়ে শুয়ে ওয়েবসিরিজ দেখার সঙ্গীটিও কিন্তু ইয়ারফোনই। মোট কথা ইয়ারফোন না হলে আমাদের চলে না। এতটাই ইয়ারফোনে বুঁদ হয়ে থাকি আমরা, এর ফলে রাস্তাঘাটে নানা দুর্ঘটনাও ঘটছে। বাড়িতে ইয়ারফোন ব্যবহার করছেন মানে কি কোনও ক্ষতি হচ্ছে না? আসলে উল্টোটাই। দীর্ঘ ক্ষণ ইয়ারফোন ব্যবহার করলে বেশ কিছু ক্ষতি হতে পারে।
সংক্রমণের আশঙ্কা
কানে একটানা ইয়ারফোন লাগিয়ে রাখার ফলে কানের মধ্যে ঠিক মতো বাতাস চলাচল করে না। আর বাতাস চলাচল করতে না পারায় কানের ভিতর সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। সংক্রমণ থেকে কানের ক্ষতি হতে পারে।
শ্রবণশক্তি হ্রাস
ইয়ারফোনে জোরে জোরে গান শোনা বা সিনেমা দেখার অভ্যাস আছে কি? তা হলে এখন থেকেই সতর্ক হোন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ৯০ ডেসিবেলের উপর শব্দ শুনলে শোনার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। ১০০ ডেসিবেলের উপর মিনিট ১৫ ইয়ারফোন ব্যবহার করলেই কিন্তু চিরতরে শোনার ক্ষমতা হারাতে পারেন।
আরও পড়ুন:
মস্তিষ্কের ক্ষতি হয় ইয়ারফোনের কারণে।
মস্তিষ্কের ক্ষতি
ইয়ারফোন দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করলে ক্ষতি হতে পারে মস্তিষ্কেরও। ইয়ারফোন ব্যবহারের সময় এক ধরনের তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, যার ফলে তা বেশিক্ষণ মাথায় গেলে মস্তিষ্কের ক্ষতি হয়।