কারও কারও বাড়ির ভিতরে ঢুকলেই মন ভাল হয়ে যায়। সব সময়ে যে তা বৈভবের কারণে, এমনটা নয়। আসলে পরিচ্ছন্ন ঘর, সুসজ্জিত অন্দরমহল মানসিক শান্তি দেয়। আবার কারও কারও ঘর এতটাই অগোছালো যে পা রাখাই দায়। বিছানার চাদর কোঁচকানো, এদিক-ওদিক বই ছড়ানো, চেয়ারে জামার স্তূপ!
ঘরের এমন চেহারার সঙ্গে সকলেই কম-বেশি পরিচিত। ঘরদোর সাফ রাখা অবশ্যই ভাল গুণ। কিন্তু সকলে সেটি পারেন না। কারও আবার অগোছালো ঘর পরিষ্কার করতে হবে ভেবেই গায়ে জ্বর আসে। তবে দৈনন্দিন অভ্যাসে একটু বদল আনলেই, ঘর আর এতটা অগোছালো থাকবে না। কী সেই উপায়?
১। চেয়ারে জামার স্তূপ জমা হলে ঘর বিশ্রী দেখায়। অভ্যাসে বদল আনা দরকার। কাজ সেরে ফিরে জামা খোলা হাওয়ায় মেলে দিন। যদি সেটি কাচতে হয়, তাহলে ঘর থেকে জামা বার করে দিন। একটি বালতিতে ভরে রাখুন। না কাচতে চাইলে ভাঁজ করে রাখতে হবে। চেয়ারে ফেলে রাখলে চলবে না।
২। দরজার পিছনে বা বাড়ির কোনও দেওয়ালে সুবিধামতো খোলা ওয়ার্ড্রোব করে নিতে পারেন। সেখানে হ্যাঙ্গারে পোশাক ঝুলিয়ে রাখুন। জামাকাপড় নিতে বা রাখতে সুবিধা হবে, ঘরও অগোছালা হবে না।
৩। ঘর সবচেয়ে বেশি অপরিচ্ছন্ন দেখায় বিছানাটি অপরিষ্কার থাকলে। ঘুম থেকে প্রথমেই বিছানার চাদরটি টানটান করে পেতে দেওয়ার অভ্যাস করুন। মিনিট পাঁচেকের কাজ, কিন্তু না করলে ঘর খারাপ দেখাবে, দিনের শেষে বিছানা করার সময়েও ক্লান্তি আসবে।
৪। টুকিটাকি জিনিস টেবিল কিংবা ঘরের আনাচকানাচে না ছড়িয়ে ছোট্ট একটি বাক্সে ভরে রাখুন। শৌখিন ঢাকা দেওয়া ট্রে-র উপরেও রাখতে পারেন। তাতে আর ঘর অগোছালো লাগবে না।
৫। চা খেয়ে কাপটি টেবিলে বসিয়ে রাখা, জলের বোতল ঘরে বোঝাই করার অভ্যাসও থাকে অনেকেরই। অনেকে খেয়ে বাটি, থালা সেখানেই বসিয়ে রাখেন। এমন বদভ্যাসটিও ছাড়তে হবে ঘর পরিষ্কার রাখতে হলে। জায়গার জিনিস জায়গামতো রাখলেই এমন সমস্যার সমাধান সম্ভব।