ঠান্ডা ঠান্ডা কুলফি! নাম শুনলেই জিভে জল এসে যায়। পেটপুরে খাওয়াদাওয়ার পর ঠান্ডা কুলফি হলেই জমে যায়। আইসক্রিম তো কত স্বাদের হয়, কুলফিরও হয় হরেক রকম স্বাদ। ডাবের শাঁস দিয়েই বানানো যায় রকমারি মালাই কুলফি। এর সঙ্গে মিশিয়ে দিতে পারেন গোলাপজল বা পেস্তা বাটা, অথবা গলানো চকোলেট। ডাবের শাঁসের নিজস্ব স্বাদ ও গন্ধ রয়েছে, যা কুলফির স্বাদকে এক অন্যমাত্রায় নিয়ে যায়।
ডাবের জল ও শাঁস দিয়ে বানান রকমারি স্বাদের কুলফি
ক্লাসিক ডাব-মালাই কুলফি
ক্লাসিক ডাব-মালাই কুলফি
এক লিটারের মতো দুধ ফুটিয়ে ঘন করে নিন। এ বার তাতে চিনি ও এলাচগুঁড়ো দিয়ে আরও ৫ মিনিট ফোটান। প্রয়োজনে কনডেন্সড মিল্কও মেশাতে পারেন। ডাবের শাঁসের খানিকটা বেটে ও খানিকটা কুচিয়ে রাখুন। সেগুলি দুধের সঙ্গে মিশিয়ে আরও খানিকটা জ্বাল দিয়ে উপরে পেস্তা, বাদামকুচি ছড়িয়ে রেখে দিন। এ বার কুলফির ছাঁচে ঢেলে ঘণ্টাখানেক ফ্রিজে রেখে দিলেই জমে যাবে।
চকো-কোকোনাট কুলফি
চকো-কোকোনাট কুলফি
ডাবের শাঁসের সঙ্গে চকোলেটের স্বাদ মিলে গেলে তা ছোটদের খুবই পছন্দ হবে। দোকান থেকে কেনা চকোলেট আইসক্রিমের বদলে ঘরেই বানিয়ে নিন চকো-কোকোনাট কুলফি। দুধ ফোটানোর সময়ে তাতে চিনি ও কোকো পাউডার বা চকোলেট দিয়ে ঘন করে জ্বাল দিতে হবে। দুধ ঠান্ডা হলে তাতে তাতে ডাবের শাঁসের ছোট ছোট টুকরোগুলি মিশিয়ে দিন। ছাঁচে ঢেলে ফ্রিজে রাখুন। প্রতি কামড়ে চকোলেটের সঙ্গে ডাবের শাঁসের মিলমিশ ভাল লাগবে।
ডাব-জাফরান পেস্তা কুলফি
ডাব-জাফরান পেস্তা কুলফি
এই কুলফির স্বাদ রাজকীয় হয়। ঘন দুধে জাফরান ভেজানো জল ও চিনি মিশিয়ে কম আঁচে ফোটাতে থাকুন। দুধে সুন্দর হালকা রং ধরবে। এ বার এতে কাঠবাদাম, আখরোট ও পেস্তা কুচি এবং ডাবের শাঁসবাটা মিশিয়ে দিন। কুলফির ছাঁচে ঢেলে আরও খানিকটা পেস্তা উপর থেকে ছড়িয়ে ফ্রিজে রেখে দিন ৭-৮ ঘণ্টা। জমে গেলেই তৈরি হয়ে যাবে ডাব-জাফরানের মালাই কুলফি।