বর্ষা কেটে ভাদ্র এলেও রাজ্য থেকে বৃষ্টিকে বিদায় এখনই দিতে পারছি কই? সম্প্রতি ফের আবহাওয়া দফতর জানিয়ে দিয়েছে, আগামি শনিবার থেকেই ভারী বৃষ্টি শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গ ইতিমধ্যেই ভাসছে বৃষ্টিতে।

তবে আকাশে কালো মেঘে, এক নাগাড় বৃষ্টি, এ সব থাকলেও কাজ-ব্যস্ততা সরিয়ে রাখা যায় না। বৃষ্টি থেকে বাঁচতে তো ছাতা সঙ্গে রাখছেনই। কিন্তু তাতেও কি সব সময় শেষ রক্ষা হয়! মুষলধারার বৃষ্টি ছাতায় আটকায় না। বৃষ্টির সঙ্গে জোরে হাওয়া দিলে তো কথাই নেই। তার উপর যদিও বা বৃষ্টি থেকে বাঁচলেন, তাতেও রাস্তার জমা জলে শরীর ভেজেই। ফলে ফের বৃষ্টি ভিজে জ্বর-সর্দির ভোগান্তি শুরু।

তবে যদি একটু সচেতন থাকা যায়, তা হলে খুব সহজেই এড়ানো যায় এই সমস্যা। বরং এই সব নিয়ম মেনে চললে, ভিজে গেলেও অসুখবিসুখের ভয় অনেকটাই কমবে।

আরও পড়ুন: বুড়িয়ে যাওয়ার ভয়? ত্বকে লাগান এই প্যাকগুলি

ডিমের খোসা ফেলে দেন? এ সব জানলে আর ফেলবেন না

  • ছাতার সঙ্গে ব্যাগে রাখুন অতিরিক্ত পোশাক। ভেজা জামায় অনেক ক্ষণ থাকলে তাতেই বেশি ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা বাড়ে। দরকারে কর্মক্ষেত্রে গিয়ে বদলে নিন ভিজে জামা।
  • বৃষ্টি ভিজে বাড়ি ফিরলে ইষদোষ্ণ জলে স্নান করে নিন। এতে যেমন বৃষ্টির জলে থাকা ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়া ধুয়ে যাবে, তেমন ঠান্ডা লাগার ভয় আর থাকবে না।
  • রাতে ঘুমতে যাওয়ার আগে হাত ও পায়ের পাতায় গরম সরষের তেল মালিশ করুন। হাত ও পায়ের পাতা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। গরম তেলের সংস্পর্শে তা শরীরকে গরম রাখে ও ঠান্ডা লাগতে দেয় না।
  • তবে ঘরোয়া উপায়ে ঠান্ডা ঠেকাতে না পারলে ভিটামিন সি জাতীয় ওষুধ নিন ও প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।