গির অরণ্যে পর পর দুটো সাফারি করেও সিংহ দেখতে না পেয়ে হতাশ হয়েছিলেন মুম্বইয়ের এক চিকিত্সক। কেন তিনি হতাশ, কারণটা তাঁর গাড়িচালক আফজলকে জানাতেই বেরিয়ে এল এক চমকে দেওয়ার মত তথ্য। আফজল যে প্রস্তাব দেয়, সেটা শুনেই চিকিত্সকের চক্ষু চড়কগাছ।

চিকিত্সককে কী বলেছিল আফজল?

আরও পড়ুন: গ্রিনল্যান্ডের পিটারম্যান হিমবাহের কেন্দ্রে বড় ফাটল, ধরা পড়ল নাসার ক্যামেরায়

সিংহ দেখতে না পেয়ে চিকিত্সক যখন রাগে গজগজ করছেন, আফজল আগ বাড়িয়ে বলে, “হাতশ হবেন না স্যর। সব ব্যবস্থা হয়ে যাবে।” এর মানে জিজ্ঞাসা করতেই গড়গড় করে বলতে শুরু করে সে। আফজল জানায়, সসানে তার যে ফার্ম আছে সেখানে একটা সিংহ, সিংহী এবং চারটে শাবক আছে। দুটো শাবককে বিক্রির জন্য মুম্বইয়ের এক জনের সঙ্গে কথাও হয়েছে বলে সে জানায়। আর দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দফতরে জানিয়ে দেন চিকিত্সক। সঙ্গে পাঠান আফজলের ছবি এবং ফোন নম্বর। জুনাগড় ডিভিশনের চিফ কনর্জাভেটর এ পি সিংহ জানান, প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে রাজ্য বনদফতরকে সতর্ক করা হয়। বার্তা দেওয়া হয় গুজরাত থেকে সিংহ পাচারের চেষ্টা চলছে। এই বার্তা পেয়েই পুলিশ, সিআরপিএফ এবং বনদফতরের কর্মীরা তল্লাশি অভিযানে নামেন। পুলিশ তাকে খুঁজছে শুনে গা ঢাকা দেয় আফজল। তার ফোনের সূত্র ধরে সোমনাথ থেকে আটক করে পুলিশ।

জেরায় আফজল পুলিশকে জানায়, তার কোনও ফার্ম নেই, সিংহও নেই। তবে সে কয়েক জনকে চেনে যারা সিংহ নিয়ে শো করে ১০-২০ হাজার টাকার বিনিময়ে। প্রশ্ন উঠেছে এই সিংহ তারা পেল কোথা থেকে? পাচারের জন্যই কি সিংহগুলোকে রাখা হয়েছে? আফজলের মাধ্যমে ওই ব্যক্তিদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।