সামাজিক ও মানবাধিকার কর্মীদের ‘শহুরে নকশাল’ আখ্যা দিয়ে তাঁদের গ্রেফতারের জন্য আজ মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীসকে অভিনন্দন জানালেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে।

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার চক্রান্ত করার অভিযোগে এই নিয়ে দশ জনকে গ্রেফতার করেছে মহারাষ্ট্রের পুণে পুলিশ। সম্প্রতি ভারভারা রাওদের গ্রেফতারির প্রতিবাদে রোমিলা থাপার, প্রভাত পট্টনায়কের মতো পাঁচ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। ভোটের আগে বিজেপি এই সামাজিক ও মানবাধিকার কর্মীদের ‘শহুরে নকশাল’ তকমা দিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁদের যোগ রয়েছে বলে দাবি করে রাজনৈতিক প্রচার চালাচ্ছে। অমিত তাতে শিলমোহর বসিয়ে বুঝিয়ে দিলেন, শাসক দলের শীর্ষ স্তরের ইশারাতেই এ কাজ হচ্ছে।বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের ফাঁকে এ দিন নির্মলা সীতারামন বলেন, ‘‘অমিত শাহ বলেছেন শহুরে নকশালদের নিয়ে কংগ্রেস ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করছে। এই শহুরে নকশালদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার জন্য বৈঠকে দর্শক আসনে বসে থাকা মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি।’’

‘ন্যাশনাল ক্যাম্পেন ফর পিপলস রাইট টু ইনফরমেশন’-এর সহ-আহ্বায়ক নিখিল দে বলেন, ‘‘এর থেকে স্পষ্ট, গোটা বিষয়টি পরিচালিত হচ্ছে রাজনৈতিক স্তর থেকেই। দলগত ভাবে শীর্ষ স্তর থেকেই এর প্রচার হচ্ছে।’’ কংগ্রেসের এক সাংসদের কথায়, ‘‘অভিযোগ যেখানে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার চক্রান্ত করার, সেখানে তদন্ত করছে পুণে পুলিশ! সত্যিই যদি এমন অভিযোগের ভিত্তি থাকত, তা হলে এতক্ষণে সিবিআই, আইবি, র, এনআইএ-কে আসরে নামিয়ে দিতেন প্রধানমন্ত্রী। ভাবগতিকই বলে দিচ্ছে, এ শুধুই রাজনৈতিক বিষয়। তা-ও যখন গোটা মামলা সুপ্রিম কোর্টে।