উত্তরাখণ্ড যাওয়ার পথে আজ দুপুরের খাওয়া সেরে নিতে হিমাচলের রাজ্য সড়কের ধারে এক ধাবায় ঢুকেছিল সেনাবাহিনীর একটি দল। পাহাড়ের গা বেয়ে চলা রাস্তা, নাহান-কুমারহাট্টি রোডের ধারে একটি চারতলা বাড়ির নীচের তলায় সেই ধাবা। গোটা দলটি যখন ভিতরে, সেই সময়ে বৃষ্টিতে ধসে পড়ল বাড়িটাই। মৃত্যু হল এক সেনা-সহ দু’জনের। শিমলা থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে সোলন জেলার ঘটনা।

সোলনের ডেপুটি কমিশনার কে সি চমন জানান, ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়া ৩৭ জনের মধ্যে ২৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। একাধিক সেনা-সহ ১২ জন এখনও আটকে রয়েছেন। অন্য একটি সূত্রের দাবি, আগে যাঁরা উদ্ধার হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ১৮ জন সেনা। ধ্বংসস্তূপ চাপা পড়ে এক জন সেনা ছাড়া অন্য যিনি মারা গিয়েছেন, তিনি ওই ধাবা মালিকেরই ঘনিষ্ঠ আত্মীয় বলে সূত্রটির বক্তব্য। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁদের দু’জনকেই মৃত ঘোষণা করা হয়। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর দু’টি দল প্রাথমিক উদ্ধারকাজ শুরু করে। পরে হরিয়ানার পঞ্চকুলা থেকে পৌঁছয় আরও একটি দল। রয়েছে সেনা ও সিআরপি-র উদ্ধারকারী দলও। 

গত কয়েক দিন ধরেই প্রবল বৃষ্টি চলছে হিমাচলে। চণ্ডীগড়-শিমলা জাতীয় সড়কে গত কাল সারা রাত ধরে বৃষ্টিতে কাদার ধস নেমেছে। আটকেছে গাড়ির দল। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন বর্ষাকালে গোটা এলাকাটিই ধসপ্রবণ হয়ে উঠেছে।