ফের বাড়িতে ঢুকে মহিলাদের হেনস্থার অভিযোগ উঠল অসম পুলিশের বিরুদ্ধে। এ বার ঘটনা চিরাং জেলায়।

বরপেটা রোডের নিসুকা অঞ্চলের বাসিন্দা শহিদুল আলি চিরাং জেলার আমগুড়িতে ট্রাক্টর চালান। সেখানকার এক কিশোরীর সঙ্গে তার সম্পর্ক তৈরি হয়। ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে দু’জন নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় মেয়ের পরিবার থানায় অভিযোগ জানান। শহিদুলের বৌদি সুকিয়া খাতুন অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার রাতে দেওরের খোঁজে আমগুড়ি থানার ওসি বিনোদ চৌধুরির নেতৃত্বে পুলিশ দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকে। পরিবারের সকলকে মারধর করা হয়। বাদ পড়েননি সুকিয়াও।

অভিযোগ, পুলিশ আলমারি ভেঙে গয়নাও লুট করে। মারধরের ফলে সুকিয়ার গর্ভপাত হয়েছে। পরে পুলিশের দল অপর ভাই রহিম আলির ঘরে ঢুকেও একই রকম অত্যাচার চালায়। সেখানেও দুই মহিলাকে মারধর করা হয়। পুলিশ অবশ্য মারধর, লুটপাটের দাবি অস্বীকার করে জানায়, ঘটনার পরে পরিবারটি চার দিন কোনও অভিযোগ করেনি। ১৮ সেপ্টেম্বর অপহৃত কিশোরীকে থানায় ফিরিয়ে দিয়ে যাওয়া হয়।

কিন্তু দরং জেলায় তিন মহিলার উপর পুলিশি অত্যাচারের ঘটনা নিয়ে শোরগোল হওয়ার পরে, হঠাৎ গতকাল সুকিয়া বেগম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। চিরাঙের এসপি সুধাকর সিংহ জানান, নাবালিকা মেয়ের অপহরণ কাণ্ডের তদন্তে পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়েছিল। কাউকে মারধর করা হয়নি বলে ওসি জানিয়েছেন। কিন্তু অভিযোগ ওঠায় তিনি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বরপেটার এসপি রবিন কুমার জানান, ডিএসপি পদের এক অফিসার বিষয়টি দেখছেন।

এ দিকে দরং জেলার বুঢ়া থানায় তরুণী অপহরণ কাণ্ডে অভিযুক্তের তিন বোনকে মারধর করার ঘটনায় ফের নয়া মোড়। এ বার ধৃত ফুল আলির স্ত্রী তদন্ত কমিটিকে জানান, ১৩ বছর বয়সে প্রেমের ফাঁদে ফেলে, ব্ল্যাকমেল করে তাঁকে বিয়েতে বাধ্য করে তাঁর স্বামী। ১৩ বছর হল তাঁদের বিয়ে হয়েছে। দুই ছেলেও আছে তাঁদের। কিন্তু রফুলের অনেক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক। স্ত্রীকেও নিয়মিত নির্যাতন করত। তাই তাঁরা আলাদা হয়ে যান। ঘটনার দিন, ৯ সেপ্টেম্বর পুলিশের তলব পেয়ে তিনিও দুই ছেলেকে নিয়ে থানায় গিয়েছিলেন। তখন ননদরা কিন্তু পুলিশের কাছে মার খাওয়ার কথা বলেনি।